নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : দিল্লি এবং কলকাতায় গত এক মাসে করোনা সংক্রমণের হার সর্বাধিক। অন্যান্য বিভিন্ন বড় শহরের তুলনায় এই দুই এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার এমনকি করোনা আক্রান্তে মৃ্তত্যুর হারও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তবে পুনে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃতের হারে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। এছাড়া আহমেদাবাদেও প্রতি লক্ষে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের হার উল্লে়খযোগ্য ভাবে বেশি।
গত ১৪ই নভেম্বর রাজধানী দিল্লিতে্ সংক্রমণের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক, এরপর থেকে গত ৩ দিন যাবৎ সংক্রমণের হার ক্রমে কমছে সেখানে। তবে চিকিৎসকদের মতে সাধারণত সপ্তাহান্তে অফিসগুলি বন্ধ থাকার দরুণ এমনিই এই দিনগুলিতে নতুন করে করে আক্রান্তের সংখ্যা কম থাকে। এই সংখ্যা কমার কারণ শুধুই সপ্তাহান্তের কম ভীড় না আদপেই আক্রান্তের হার কমেছে তা বোঝা যাবে কয়েকদিন পর। কলকাতায় উৎসবের মরশুমের পর থেকে গত ৪ নভেম্বর আক্রান্তের হারের সূচক সবথেকে বেশি ছিল, এই দিন দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২,৪৭৩। তবে এর পর থেকে শহরেও দৈনিক আক্রান্তের হার কমছে ধীর গতিতে, যা আশার আলো জাগিয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। দেশের বিভিন্ন শহর বিভিন্ন সময়ে দৈনিক আক্রান্তের হারের সর্বাধইক সংখ্যায় পৌঁছেছে বিভিন্ন সময়ে। আহমেদাবাদে যেমন গত মে মাসেই এই সংখ্যায় পৌঁছে যায়, তেমনই চেন্নাই শহরে এই সর্বাধিক সংখ্যা হয় জুলাই মাসে, এবং ব্যাঙ্গালুরুতে এই সংখ্যা হয় অক্টোবর মাসে। মুম্বাই এবং পুনেতে সর্বাধিক আক্রান্তের সংখ্যা দেখা যায় সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে, তবে তার পর থেকে এই দুই শহরেই ক্রমে কমছে আক্রান্তের সংখ্যা। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ই অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্তের হার কমলেও, তারপর থেকে ফের বাড়তে শুরু করেছে এই সংখ্যা। এরফলে হাসপাতালে বেডের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। অসুস্থ রোগীর সংখ্যার তুলনায় কম চিকিৎসকের সংখ্যা। এর ফলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে বাধ্য হয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আনতে হচ্ছে আমূল পরিবর্তন। কেস ফেটালিটি রেট বা করোনায় মৃ্ত্যুর হার ৮টি শহরেই নেমেছে বেশ খানিকটা। এই সবকটি শহরেই এই হার সর্বোচ্চ হয়েছিল গত মে ও জুন মাসে। এরপরেই সমস্ত শহরে এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। মাঝে দিল্লিতে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলেও, রাজধানীর মৃত্যুর হার শুধুমাত্র ১.৬ শতাংশ ছিল, যা জাতীয় মৃত্যুর হার ১.৫ এর থেকে বেশি হলেও অন্যান্য রাজ্যের থেকে কম। অন্যদিকে আহমেদাবাদে এখনও দেশে মৃতের হার সর্বধিক। এই রাজ্যে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার ৪ শতাংশ। তবে জুন মাসে এই সংখ্যা ছিল ৭, সেখান থেকে বর্তমান চিত্র বেশ খানিকটা স্বস্তিদায়ক বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি বর্তমানে আহমেদাবাদের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অন্যান্য রাজ্যের থেকে মাত্র একশো থেকে দেড়শো বেশি। কলকাতাতেও এই মৃ্ত্যুর হার মে মাসে ছিল ১১.৬ শতাংশ, তা বর্তমানে কমে হয়েছে ২.৩ শতাংশ।Latest posts by new_author (see all)
- লকআপ থেকে উধাও বন্দী - January 8, 2023
- নতুন বছরে সিদ্ধি বিনায়কে ভিকি-ক্যাটরিনা - January 6, 2023
- মেসির সংসার, হাতে বিশ্বকাপ, পাশে ১০ নম্বর জার্সিতে পরিবার - December 19, 2022

