নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতেও কেন্দ্র রাজ্য ডুয়েল অনন্ত ভাবে চলে যাচ্ছে। ফের একবার সম্মুখ সমরে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল। শনিবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় একটি ট্যুইট বার্তায় রাজ্য সরকারকে নিশানা করে জানান, রাজ্যের তরফ থেকে কেন্দ্রকে দেওয়া করোনা পরিস্থিতির তথ্য এবং বুলেটিনে যে তথ্য দেওয়া আছে তাতে বিস্তর গড়মিল আছে। এই ট্যুইট বার্তার প্রত্যুতরে ১৩ পাতার একটি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
চিঠিতে মমতা রাজ্যপালকে সাংবিধানিক প্রধানের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার সম্পর্কে অবগত করেন। এখানে সুপ্রিম কোর্টের বেশ কিছু জাজমেন্টের কথা উল্লেখ করে বলেন, রাজ্যে রাজ্যপালের সাংবিধানিক ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাজ্যপালের নেই।
চিঠিতে, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে যখন রাজ্য প্রশাসন অত্যন্ত ব্যস্ত সেই সময়ে ধারাবাহিক ভাবে আক্রনাত্মক মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রাজ্যপাল, এই বিষয়েও প্রশ্ন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই চিঠির পাল্টা ট্যুইট করেন রাজ্যপাল। এই ট্যুইটে তিনি জানান মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির কোনো সারবত্তা নেই। তিনি তাঁর অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে লিখলেও রাজ্যপালের তোলা প্রশ্ন গুলির কোনো উত্তর দেননি। এই দুঃসময়ে রাজনীতির দিকে না ঝুঁকে নিরপেক্ষভাবে একতার সাথে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। সেই কথা চিঠিতে উল্লেখ করলেও কাজে করছেনা রাজ্য প্রশাসন।
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে পত্রযুদ্ধ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী পাঁচ পাতার একটি চিঠি দেন রাজ্যপালকে। সরকারী কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী ও আমলাদের বিরুদ্ধে বারংবার আক্রমন করা নিয়ে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই চিঠির পাল্টা উত্তর দেন রাজ্যপাল, দুই ও চৌদ্দ পাতা বিশিষ্ট দুটি চিঠি দেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে। এবং তারপর থেকে লাগাতার টুইটারে মমতা সরকারকে আক্রমণ করে আসছিলেন তিনি।
Latest posts by new_author (see all)
- লকআপ থেকে উধাও বন্দী - January 8, 2023
- নতুন বছরে সিদ্ধি বিনায়কে ভিকি-ক্যাটরিনা - January 6, 2023
- মেসির সংসার, হাতে বিশ্বকাপ, পাশে ১০ নম্বর জার্সিতে পরিবার - December 19, 2022

