প্রসাদ বিতর্ক, দিঘায় মুখ্যমন্ত্রী 

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক :  

রাত পোহালেই রথযাত্রা উৎসব। দিঘায় জগন্নাথদেবের মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রথযাত্রা উৎসব উদযাপিত হবে দিঘায়। উৎসবে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বুধবারই দিঘায় পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাকে ঘিরে সাজ সাজ রব। এরই মধ্যে কাতারে কাতারে পুণ্যার্থী আসছেন দিঘাতে। বৃহস্পতিবার বেলায় মন্দিরে পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী। যোগ দেবেন উৎসবে। পুরীর রথের ধাঁচেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার রথ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৫ দিন পর খুললো জগন্নাথদেবের মন্দির। ফলে সামনে থেকে জগন্নাথদেবের দর্শন পেতে মন্দিরে ভিড় জমিয়েছে অসংখ্য ভক্ত।  

কিন্তু এসবের মধ্যে দিঘার জগন্নাথদেবের প্রসাদ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মমতা বন্দোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে জগন্নাথদেবের প্রসাদ পৌঁছে যাবে সকল মানুষের কাছে। আর তার প্রস্তুতি অনেকদিন আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। রেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে প্রসাদ। আবার কোথাও কোথাও দেখা গিয়েছে স্থানীয় কাউন্সিলরকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা জগন্নাথদেবের প্রসাদ প্রতিটা ওয়ার্ডে বিলি করছেন।

দিঘার জগন্নাথদেবের প্রসাদের পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর পুরীর মহাপ্রসাদ। পুরীর মহাপ্রসাদ নিয়ে ময়দানে নামলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেছেন, পাঁচদিন ধরে পুরীর মহাপ্রসাদ বিলি করা হবে। পুরী থেকে তমলুকে আসছে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মহাপ্রসাদ। তমলুক থেকেই আগামী পাঁচ দিন মহাপ্রসাদ বিলি করা হবে জানান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

হাতে আর বেশি দেরি নেই। বছর ঘুরলেই বিধানসভা উপনির্বাচন। এবার জগন্নাথদেবের প্রসাদ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। দিঘা, পুরীর প্রসাদ বিতরণও কী রাজনীতির কর্মকান্ড হয়ে উঠলো?   

Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube