নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : নিম্নচাপের ভ্রূকুটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। প্রবল বৃষ্টিতে শীলাবতী, ঝুমী, রূপনারায়ণ নদীর জলস্তর বৃদ্ধি ও শিলাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়া সহ ডিভিসির জল ছাড়ার কারণে জলমগ্ন পরিস্থিতি ঘাটালে। বন্যায় প্লাবিত গড়বেতা ও চন্দ্রকোনাও। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কাজের। সবে শুরু হল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। রাজ্য সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থেই শুরু ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। এই অর্থবর্ষেই ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।
তবে আসতে আসতে ঘাটালে জমে থাকা জল কমতে শুরু করেছে। কিন্তু, পৌরসভার ৫,৬, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এখনো জমে রয়েছে বৃষ্টির জল। আবার যদি বৃষ্টি হয় তবে বাড়তে পারে বন্যার জল। সেই চিন্তায় দিন গুজরান করছেন ঘাটালবাসী। সবে শুরু হয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। কাজ শেষ হলেই জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে এলাকাবাসীরা। অপরদিকে প্রায় ১০-১৩ বছর ধরে কেন্দ্রের তরফে এই প্রকল্পে আর্থিক সাহায্যে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলছে শাসক দল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২ বছর সময় লাগবে এই কাজ শেষ করতে। কিছুদিন আগেই ঘাটালে মাস্টার প্ল্যান কাজ শুরু না হওয়ায় তোপ দাগে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা দিলেন সাংসদ দীপক অধিকারী। রবিবার তিনি এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুললেন। পাশাপাশি সাংসদ দেব বলেছেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কাজ শেষ করতে সময় লাগবে প্রায় ৪-৫ বছর। উল্লেখ্য, প্রায় ১২ বছর ধরে থমকে রয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ। ফলে জলযন্ত্রনায় ভুগছেন সকল ঘাটালবাসী। বর্ষার সময় শীলাবতী, ঝুমী ও রূপনারায়ণ নদীতে জলস্তরের বৃদ্ধি পায়। ফলে জলমগ্ন হয়ে পরে ঘাটাল। তাই শীলাবতী, ঝুমী ও রূপনারায়ণ নদীতে ড্রেজি, বাঁধ, খাল কাটা, খাল সংস্কার ও কৃত্রিম নদী তৈরী করার জন্য দরকার ১২১২ কোটি টাকা। আর্থিক দিক থেকে কেন্দ্রের কোনো সাড়া না মেলায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব শাসক দল।Latest posts by news_time (see all)
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

