নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক :
শুক্রবার ভাতা মামলায় হাইকোর্টে জোর ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ২০১৬ সালের এসএসসির রাজ্যের গ্ৰুপ সি ও গ্ৰুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তে ২৬ সে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের। চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দেবে রাজ্য সরকার। তাঁর দু’সপ্তাহের মধ্যে পাল্টা বক্তব্য জানাবেন আবেদনকারীরা। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি থাকায় সুপ্রিম কোর্টও ২০১৬-র এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। এতে বাংলার প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এরপর মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তারপর সুপ্রিম কোর্ট নয়া নির্দেশ দিয়েছিল যে, দাগি নন বলে চিহ্নিত যেই সমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকারা তারা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে শুধুমাত্র শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের জন্য। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে না।
এরপর গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের কথা মাথায় রেখে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। গ্রুপ সি কর্মীরা টো হাজার টাকা ও গ্রুপ ডি কর্মীরা মাসে ২৫ হাজার টাকা করে পাবে।মুখ্যমন্ত্রীর ভাতা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন করেছিলেন, কেন কিসের ভিত্তিতে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীরা মাসিক ভাতা পাবেন? শুক্রবার ছিল এই মামলার রায়। হাইকোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের এই রায়ে ফের অনিশ্চয়তার পথে ২০১৬-র এসএসসি চাকরিহারা শিক্ষাকর্মীদের ভবিষ্যত।