মহেশতলা কাণ্ডের আঁচ বিধানসভায়! ওয়াকউট বিজেপি বিধায়কদের

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : মহেশতলা হংসার আঁচ পড়ল বিধানসভাতেও। বুধবার হিংসার ঘটনায় মহেশতলায় তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসায় একাধিক দোকান ভাঙচুর করা হয়, পুলিশের বাইক, পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি অভিযোগ করে, বেছে বেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের ওপরেই অত্যাচার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা মুলতুবি প্রস্তাব আনেন। বিধানসভায় প্রবেশের আগেই তা জানিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বৃহস্পতিবার গেরুয়া উত্তরীয় পরে বিধানসভায় আসেন বিজেপি বিধায়করা। মুর্শিদাবাদ এবং মহেশতলা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনেন বিজেপি বিধায়করা। বিচারাধীন বিষয় বলে স্পিকার প্রস্তাব খারিজ করে দেন। এরপরই বিজেপি বিধায়করা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখতে থাকেন। বিজনেস পেপার ছিড়ে ফেলা হয়। চোর চোর স্লোগান শোনা যায়। এরপরেই স্লোগান দিতে দিতে বিজেপি বিধায়করা ওয়াকউট করেন। গোটা ঘটনার নিন্দা করে সরকারপক্ষ এবং স্পিকার।

গেরুয়া পতাকা হাতে স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়করা। স্লোগান ওঠে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই। ২ নম্বর গেটের সামনে বিজেপি বিধায়করা বিক্ষোভ দেখান। এরপর হেঁটে রাজভবনের পথে যান বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু অধিকারীকে খালি পায়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

রাজভবনের গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে পুরো পরিস্থিতি রাজ্যপালকে জানান বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যপাল তাদের আস্বস্ত korechen বলেই জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বাদল অধিবেশন শুরু থেকেই উত্তপ্তত। প্রতিদিনই ওয়াকউট করতে দেখা যাচ্ছে বিরোধী বিধায়কদের। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে এই ঘটনা অভিপ্রেত নয়। কেন বিধানসভা থেকে প্রতিদিন বেরিয়ে যাচ্ছেন বিরোধী বিধায়কদের, অমিলম্বে তাঁর সমাধান না করা গেলে বিঘ্নিত হবে সংসদীয় গনতন্ত্রই।

Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube