মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছিলেন, আর কটা দিন অপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে যেতে । সেই পরামর্শ উড়িয়ে দিয়ে মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত পরিবারের পাশে পৌঁছে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপালের আসার পথেই নিরাপত্তার দাবি তুললেন জাফরাবাদের মানুষ ।
জাফরাবাদে মৃত হরগোবিন্দ দাসের পরিবারের পাশে রাজ্যপাল । কথা বললেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। রাজ্যপালকে পাশে পেয়ে বাঁধ ভাঙল শোক । এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাশাপাশি উঠল বিএসএফ ক্যাম্পের দাবি।এক সপ্তাহ আগে এই পরিবারের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। বাড়িতে কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে পিতা ও পুত্রকে। রাজ্যপাল এসে দাঁড়ালেন সেই শোকার্ত পরিবারের পাশে ।
পরিবারের চোখেমুখে এখনও আতঙ্কের রেশ । সেদিনের সেই ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী বাড়ি ঘরও। দরজার কপাট ভাঙা, চারদিকে এখনও তাণ্ডবলীলার ছবি। দুষ্কৃতীরা দীর্ঘ সময় ধরে তাণ্ডব চালিয়েছে, পুলিশ আসেনি। দফায় দফায় এসে ভাঙচুর করেছে, বাড়িঘরে আগুন লাগিয়েছে। তারপর বাড়ির দরজা ভেঙে খুন করেছে হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে।
স্বামী, পুত্রকে হারিয়েছেন। এরপরেও আরও ভয়ঙ্কর কিছুর আতঙ্ক তাড়া করছে। বিএসএফ ক্যাম্পের দাবি জানাচ্ছেন প্রয়াত হরগোবিন্দর স্ত্রী । শুধু তিনিই নন, আরতঙ্কে কাঁটা তাঁর মেয়েও । তিনি জানান, পুলিশের ওপর কোন ভরসা নেই তাঁদের । এমনকি ভরসা নেই খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ওপরেও। ঘটনার জন্য অভিযুক্ত করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকেই ।
মৃত্যুর আতঙ্ক তাড়া করে বেরাচ্ছে। তারই মধ্যে রয়েছে নতুন করে হামলার ভয়। এ কোন পশ্চিমবঙ্গ! যেখানে নিজের বাড়িতে থাকতেও সাহস পান না বাংলার মানুষ। এ কোন পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে খুন করার পরেও খুনিদের ফিরে আসার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

