ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন করে দেহের ছ’টুকরো! বিষ্ণু মাল হত্যাকাণ্ডে ৭ জনের ফাঁসির সাজার নির্দেশ আদালতের

বিষ্ণু মাল হত্যাকাণ্ডে সাত জনের ফাঁসি, একজনের সাত বছরের সাজার নির্দেশ দিল চুঁচুড়া আদালত। ২০২০ সালে বাড়ির সামনে থেকেই যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। দেহের ছয় টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয় বিভিন্ন জায়গায়। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত বিশাল সহ একাধিকজনকে। খুনের নেপথ্যে উঠে আসে ত্রিকোণ প্রেমের তত্ত্ব।

২০২০ সালের ১১ অক্টোবর হুগলীর চুঁচূড়ার বাসিন্দা বিষ্ণু মালকে তাঁর বাড়ির সামনে থেকেই তুলে নিয়ে যায় একদল দুষ্কৃতী। মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে এসেছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশাল দাসের। বিষ্ণুকে নৃশংসভাবে খুনের পর তাঁর দেহের ছয় টুকরো করে প্যাকেটে ভরে শেওড়াফুলি ও বৈদ্যবাটির বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তের মাধ্যমেই জানা যায়, স্থানীয় এক যুবতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল বিষ্ণু। ওই যুবতী প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও একথা জানার পরই বিষ্ণু মালকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল বিশাল।

কয়েকদিনের মধ্যেই বিশালের শাগরেদদের একে একে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের জেরা করেই দেহাংশগুলি উদ্ধার করে।যদিও কাটা মুণ্ডুর হদিশ পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার কিছুদিন পরই এক গুলিকাণ্ডে ধরা পড়ে যায় বিশাল। এরপরই তাঁকে বিষ্ণু মাল হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার করে চন্দননগর থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করে কাটা মুণ্ডুটিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

অভিযুক্ত ৮ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে চুঁচুড়া জেলা আদালতের ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট।  এই মর্মেই চূড়ান্ত রায়দান হয়। চুঁচুড়া জেলা আদালতের বিচারক মূল অভিযুক্ত বিশাল দাস সহ সাত জনের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন। একজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রাজসাক্ষী হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে একজনকে।

বিষ্ণু মাল হত্যাকাণ্ডে সরব হয়েছিল সমাজের সব শ্রেণীর মানুষ। ধৃতদের শাস্তির দাবিতে আদালতের বাইরে একাধিকবার সরব হয়েছে সাধারণ মানুষ। দোষীদের ফাঁসির সাজায় খুশি নিহতের পরিবার।  

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube