আরজি কর কাণ্ডে তোলপাড় দেশ। কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা চলছে প্রতিবাদ। কয়েকদিন আগেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত।
এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন প্রথমে আত্মহত্যা বলা হল? এত দেরি করে কেন এফআইআর দায়ের করা হল? প্রথম এফআইআর এ কী কী ধারা দেওয়া হয়েছিল? নির্যাতিতার ছবি, পরিচয় প্রকাশ্যে এল কীভাবে? হাসপাতাল ভাঙচুরের সময় প্রশাসন কী করছিল? ঘটনায় তৎকালীন অধ্যক্ষ অর্থাৎ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা কী ছিল? পাশাপাশি আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের উদ্দেশেও সুপ্রিম কোর্ট বার্তা দিয়েছে, ডাক্তাররা আন্দোলন করুন, তবে কর্মবিরতিতে না গিয়ে চিকিৎসা পরিষেবাও দিন।
আরজি করকাণ্ডের তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-কে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে সিবিআইকে। এছাড়া দেশজুড়ে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জাতীয় টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবে এই টাস্ক ফোর্স। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকদের দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ওঠে, তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে সঞ্জয় রাই নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। জেরায় ধৃত অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলেও জানা যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তার দাবিতে কর্মবিরতি ডেকে আন্দোলনে নামে চিকিৎসকেরা। শহর থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ, দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ন্যায় বিচারের দাবিতে চলছে আন্দোলন । এরমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার দিকেও নজর রয়েছে সব মহলেরই।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

