অজিত শিবিরে ভাঙন, বিধানসভা ভোটের আগে শক্তি বাড়াল শরদের NCP!

চলতি বছরেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগেই বড় ধাক্কা উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপি শিবিরে। একযোগে দল ছাড়লেন চার নেতা। জল্পনা ছিলই, শীঘ্রই তাঁরা শরদ পাওয়ারের এনসিপি-তে যোগ দিতে পারেন। সেইমতই বুধবার শরদ পাওয়ারের উপস্থিতিতে তাঁর দলে যোগদান করলেন চারজন। কাকা-ভাইপোর ‘ঠাণ্ডা লড়াই’তে নয়া মোড়!

সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের এনসিপির পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় শাখার প্রধান অজিত গাভানে অজিত পাওয়ারের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এছাড়া পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় ছাত্র শাখার প্রধান যশ সানে, প্রাক্তন কর্পোরেটর রাহুল ভোসলে এবং পঙ্কজ ভালেকার অজিতের এনসিপি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, অজিত শিবিরের কয়েকজন নেতা শীঘ্রই শরদ পাওয়ারের দলে যোগ দিতে পারেন। এরমধ্যেই চার নেতার ইস্তফা জল্পনা তীব্র করে তুলেছিল। অবশেষে বুধবার (১৭ জুলাই) এই চার নেতা সহ কমপক্ষে ২০ নেতা শরদের এনসিপি-তে যোগ দিয়েছেন বলে খবর।  

গত মাসেই এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ার সাফ বার্তা দিয়েছিলেন, যারা দলকে দুর্বল করতে চায় তাঁদের নেওয়া হবে না। তবে যারা দল ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে এবং দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে না, তাঁরা যোগ দিতে পারেন।

২০২৩ সালে কাকা শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএ জোটের সঙ্গে হাত মেলান অজিত পাওয়ার। সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। শিবসেনার মতই দু’ভাগে ভাগ হয়ে যায় ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। দলের প্রতীক চিহ্ন নিয়েও টানাটানি চলেছে অজিত-শরদের। ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচনে  আসন সংখ্যায় এগিয়ে শরদের এনসিপি, তাদের প্রাপ্ত আসন ৮ টি। অজিতের এনসিপি শিবির জিতেছে মাত্র ১ টি আসন। এমনকি বারামতি কেন্দ্রে বৌদি সুনেত্রা পাওয়ারকে (অজিত পাওয়ারের স্ত্রী) ৪০ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে চতুর্থবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন শরদ কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। এবার দলের বড় নেতাদের ইস্তফায় উদ্বেগের মহল অজিত শিবিরে।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube