।। পম্পি রায় ।।
প্রতি বছর ১৭ জুলাই ‘বিশ্ব ইমোজি দিবস’ পালিত হয়। ইমোজিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জেরেমি বার্গ। তিনি ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দিনটিকে ‘বিশ্ব ইমোজি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। হাসি, কান্না, ভালোবাসা সহ আরও অনুভূতি প্রকাশের সহজ মাধ্যম এই ইমোজি। আজকের ডিজিটাল যুগে, যোগাযোগ আগের চেয়ে দ্রুত এবং আরও সুবিধাজনক। বলা যেতে পারে, এই বিভিন্ন রকমের ইমোজি মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ৯০ শতাংশের বেশি অনলাইন ব্যবহারকারীরা ইমোজিগুলি ব্যবহার করেন। এই ক্ষুদ্র আইকনগুলি আমাদের অনলাইন ভাষার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বিশ্ব ইমোজি দিবসের ইতিহাস:
ইমোজির বিবর্তন মনের ভাবপ্রকাশ অনেক সহজ করে দিয়েছে। লেখার পরিবর্তে একটা ইমোজি পাঠিয়ে দিলেই যথেষ্ট। ১৯৮০-এর দশকে “🙂” এবং “🙁” এর মতো মৌলিক পাঠ্য-ভিত্তিক ইমোটিকনগুলির ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৯৯ সালে একজন জাপানি ডিজাইনার একটি মোবাইল কোম্পানির জন্য ইমোজিগুলির প্রথম সেট তৈরি করেছিলেন। ইমোজিগুলি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করে। ২০১১ সালে Apple তাদের অপারেটিং সিস্টেমে অফিসিয়াল ইমোজি কীবোর্ড যুক্ত করে, যা অন্যান্য দেশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ইমোজিগুলো আরও উন্নতমানের হয়েছে। এখন সব স্মার্ট ফোনেই প্রচুর ইমোজি পাওয়া যায়, যা প্রাণী থেকে শুরু করে খাবার, বিভিন্ন দেশের পতাকা সহ সব কিছুর প্রতিনিধিত্ব করে।

বিশ্ব ইমোজি দিবসের তাৎপর্য
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে, ইমোজিগুলি ইনস্টাগ্রাম, এক্স হ্যান্ডেল (আগে টুইটার), ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ক্ষুদ্র ডিজিটাল আইকনগুলি শব্দ ছাড়াই অনুভূতি প্রকাশ করার দারুণ মাধ্যম।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

