ইসলামপুরে দুষ্কৃতীদের এলোপাথারি গুলিতে মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল নেতা বাপি রায়ের। শনিবার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার রাতেই এই ঘটনা ঘটে। মৃতের পরিবার সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। রবিবার নিহত তৃণমূল নেতার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই গাড়ি আটকে অবরোধ দেখায় দলীয় কর্মীরা। দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি করেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
এদিন বিকেলে বাপি রায়ের মৃতদেহ গ্রামে পৌঁছাতেই তৃণমূলের কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। মৃতের শ্যালকের দাবি, বাপি রায়ের দেহ থেকে ৯ টি গুলি উদ্ধার হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল আশ্বাস দিয়েছেন, রাতের মধ্যেই দোষীদের গ্রেফতার করা হবে। এরপরই বিক্ষোভ থামানো গিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে খবর, জাতীয় সড়কের পাশে একটি ধাবায় একসঙ্গে ছিলেন বাপি রায় এবং মহম্মদ সাজ্জাদ। সেইসময়েই একদল দুষ্কৃতী তাঁদের ঘিরে গুলি চালাতে শুরু করে। গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে মৃত্যু হয় বাপি রায়ের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজ্জাদ।
নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর স্বামীকে মহ: সাজ্জাদ ও অন্যান্য তৃণমূল নেতারা জাতীয় সড়কের ধারে ধাবায় ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই সেখানে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তাঁর আরও অভিযোগ, ওখানে আরও অনেকে ছিলেন কিন্তু কারও কিছু হল না। ষড়যন্ত্র করে কেবল বাপি রায়কে গুলি করা হয়েছে। এছাড়া বাপির গলায় সোনার চেন, পকেটে মোবাইল ফোন ও টাকা ছিল সেগুলোও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ মৃতের স্ত্রীর।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

