হাথরাসকাণ্ডে পদপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। এই ঘটনা গোটা দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। এনিয়ে এবার যোগী সরকারের কাছে ৮৫০ পাতার রিপোর্ট পেশ করা হল। হাথরাসকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারীরা।
উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে পদপৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১২০ জনেরও বেশি। এই ঘটনার তদন্তভার নেয় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। মঙ্গলবার যোগী সরকারের কাছে ৮৫০ পাতার রিপোর্ট পেশ করে তদন্তকারীদের দল। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে খবর। অনুষ্ঠানের অব্যবস্থার ছবি স্পষ্ট তুলে ধরা হয়েছে ওই রিপোর্টে। দুর্ঘটনার নেপথ্যে অন্য কারণ উঠে আসলেও অতিরিক্ত ভিড়ই মূল কারণ বলে উল্লেখ করেছে সিট।
হাথরাসের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে একের পর এক বেনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ৮০ হাজার মানুষের জমাতের অনুমোদন থাকলেও আড়াই লক্ষের বেশি মানুষ ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পদপৃষ্টের ঘটনার পরে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হলে এখনও পর্যন্ত একাধিকজনকে গ্রেফতার করা হয়। হাথরাসকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত দেবপ্রকাশ মধুকর শনিবার দিল্লির থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তবে এফআইআরে ‘স্বঘোষিত’ ভোলেবাবার নাম না থাকার বিষয়টি নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়েছে।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী হাথরাসকাণ্ডের স্বজনহারা পরিবারদের সঙ্গে দেখা করছেন। তারপরই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি পাঠান তিনি। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘হাথরাসের পদপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করে, তাঁদের সমস্যার কথা জেনে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিপূরণের অর্থ বাড়িয়ে দ্রুত পীড়িত পরিবারগুলিকে প্রদান করার ব্যবস্থা করুক।‘ উল্লেখ্য, হাথরাসকাণ্ডে মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

