উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে অনেকগুলো দিন। এখনও তৃণমূলের দুই জয়ী প্রার্থী বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারেনি। নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে আসছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। একদিকে শপথ গ্রহণের জন্য চিঠি দিয়ে দুজন’কে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে দুই জয়ী প্রার্থী বিধানসভায় শপথ নেবেন বলে অবস্থান বিক্ষোভ করছে। এই বিতর্কের মধ্যেই এবার রাজ্যপালকে নিশানা করে শপথ জট নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার নবান্নে হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত রিভিউ বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বৈঠক শেষের আগে শপথ জট নিয়ে কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়, জেতার পরও দুই বিধায়ক বসে আছেন রাজ্যপাল শপথ নিতে দিচ্ছে না। মানুষ নির্বাচিত করেছেন, ওনার কি অধিকার আছে শপথ নিতে না দেওয়ার! উনি (রাজ্যপাল) স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারকে দায়িত্ব দেবেন নাহলে নিজে বিধানসভায় যাবেন। তাঁর সংযোজন, ‘ওনার রাজভবনে কেন সবাই যাবেন? রাজভবনে যা কীর্তি কেলেঙ্কারি চলছে, মেয়েরা যেতে ভয় পাচ্ছে। আমাকে অভিযোগ করেছে।‘
গত মাসেই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। নির্যাতিতা নিজে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে সরব হয় শাসক দল। গর্জে ওঠেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। বিতর্কের জল গড়িয়েছে বহু দূর। বিধায়কের শপথ জট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজভবনকে আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, ২৬ জুন, বুধবার দুই জয়ী প্রার্থীকে রাজভবনে ডেকে শপথ নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বিধানসভায় শপথ নিতে চেয়ে পাল্টা চিঠি পাঠায় তাঁরা। গতকাল বিধানসভার বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে রাজ্যপালের জন্য অপেক্ষা করেন বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকার। এদিকে বুধবার দুপুরেই দিল্লির সফরে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরফলে দুই বিধায়কের শপথ হবে কবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

