বেআইনি জমি দখল থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে সোমবার পুরসভা ও প্রশাসনিক কর্তাদের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বসুকে। তিনদিনের মাথায় বৃহস্পতিবার ফের নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তাঁর মুখে শোনা গেল দমকলমন্ত্রীর প্রশংসা। কেষ্টপুর খাল সংস্কারের কাজ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরই শহর তথা রাজ্যজুড়ে শুরু হয় হকার উচ্ছেদ অভিযান। ‘আতঙ্কিত’ হকারদের অধিকাংশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে বৃহস্পতিবার ফের নবান্নে বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। কেষ্টপুরের খাল সংস্কারের কাজ ভালোভাবে হচ্ছে, এই বিষয়টি উল্লেখ করে সুজিত বসুর প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় ‘রাজ্যের রঙ- আকাশি’ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই নবান্নের সভাঘরে প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের দমকল মন্ত্রী তথা বিধায়ক সুজিত বসুর দিকে আঙুল তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিধাননগর পুরনিগমে ইচ্ছেমত লোক বসানো হচ্ছে। অনুমতি ছাড়াই কম্পিটিশন করে যেখান-সেখান থেকে লোক এনে পুরসভায় কাজ দেওয়া হচ্ছে।‘ একাধিক পুরসভার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়া পুরনিগম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসকমণ্ডলী, এসডিও-র আওতায় আছে এটি। তাই চারজন বিধায়ক সুবিধা নিচ্ছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

