উপনির্বাচনে জিতলেও শপথ নিতে পারেননি তৃণমূলের দুই বিধায়ক। বিধানসভায় শপথ নিতে চেয়ে সোমবার রাজ্যপালকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিনের মধ্যেই এল জবাব। পাল্টা ইমেল মারফত জানানো হল, রাজভবনে এসে শপথ নিতে হবে তাঁদের। এরফলে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতে নতুন মাত্রা চড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
সূত্রে খবর, রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছে, বরাহনগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকারকে আগামী বুধবার (২৬ জুন) রাজভবনে এসে শপথ নিতে হবে। তবে তাঁদের শপথ বাক্য কে পাঠ করাবেন সেই বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। রাজভবনের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বার্তা দেওয়া হয়েছে শপথ বাক্য পাঠ করানোর ক্ষেত্রে রাজ্যপালের নির্দেশ চূড়ান্ত। চিঠিতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই বাংলার দুই কেন্দ্র- ভগবানগোলা ও বরাহনগরে উপনির্বাচন হয়। গত ৪ জুন ফল প্রকাশ হয়। দুই কেন্দ্রেই জয় লাভ করে তৃণমূল। তিন সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও শপথ গ্রহণ ঘিরে জট কাটছে না। এরপর জানা যায়, রাজভবনের তরফে বরাহনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অভিনেত্রী-বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আমন্ত্রণ অস্বীকার করে তাঁর বক্তব্য, স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দেন রাজ্যপাল। কিন্তু এক্ষেত্রে বিধানসভার ভূমিকা এড়িয়ে সরাসরি তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাই রাজভবনে যাবেন না সায়ন্তিকা। অন্যদিকে, ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকারের দাবি, তাঁর কাছে চিঠি আসেনি। এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
সোমবার বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান সায়ন্তিকা। সেখানে দীর্ঘক্ষণের আলোচনার পরই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিধায়কের কথায়, ‘বরাহনগরের মানুষের জন্য কাজ করার জন্য মাত্র দেড় বছর সময় রয়েছে। স্পিকারের কাছে শপথ গ্রহণ করতে চেয়ে রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সেই বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। এর জবাবেই পাল্টা চিঠি পাঠাল রাজভবন। এবার কি শপথ জট কাটবে, এই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

