ফল প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে প্রায় তিন সপ্তাহ। এখনও হয়নি শপথ। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের জেরে কার্যত জট দেখা গিয়েছে তৃণমূলের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণে। এই আবহে রাজভবনের তরফে ডাক পেয়েছেন বরাহনগরের তারকা বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, তবে তিনি যাবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে নাকি আমন্ত্রণ পাননি শাসক দলের আরেক বিধায়ক। তবে কি আরও জোরালো হচ্ছে শপথ জট?
জানা গিয়েছে, রাজভবনের তরফে বরাহনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অভিনেত্রী-বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আমন্ত্রণ অস্বীকার করে তাঁর বক্তব্য, স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারকে শপথের দায়িত্ব দেন রাজ্যপাল। কিন্তু এক্ষেত্রে বিধানসভার ভূমিকা এড়িয়ে সরাসরি তাঁকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাই রাজভবনে যাবেন না সায়ন্তিকা। অন্যদিকে, ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকারের দাবি, তাঁর কাছে চিঠি আসেনি। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, দু’জন বিধায়ক শপথ নেবেন তাহলে কেন একজনকে ডেকে পাঠানো হল?
শপথ গ্রহণ দ্রুত করার জন্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি বলেই খবর। সেখানে বলা হয়েছে, ‘রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান, দ্রুত শপথ গ্রহণ নিয়ে জরুরী পদক্ষেপ প্রয়োজন।‘ সূত্রে খবর, তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের অনেকেরই অভিযোগ, রাজ্যপালের হাতে ক্ষমতা আছে বলে নিজের ইচ্ছেয় শপথের বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তবে সংবিধান মেনে কাজ করা প্রয়োজন। এদিকে শপথ না হওয়ায় এলাকায় মানুষদের নাগরিক পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ একাংশের।
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই বাংলার দুই কেন্দ্র- ভগবানগোলা ও বরাহনগরে উপনির্বাচন হয়। গত ৪ জুন ফল প্রকাশ হয়। দুই কেন্দ্রেই জয় লাভ করে তৃণমূল। এরপর বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও এখনও শপথ গ্রহণ ঘিরে জট কাটছে না।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

