।। মধুরিমা ভৌমিক ।।
হরমোন দু’প্রকার টি-থ্রি ও টি-ফোর । রক্তে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় এই হরমোন থাকে । কোনও কারণবশত রক্তে এই হরমোনের মাত্রায় তারতম্য দেখা গেলেই থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দেয়। ওজন বেড়ে যাওয়া, চুল পড়া, ঘন ঘন সর্দি-কাশি, ব্রণ, অ্যাংজাইটি—এমন নানা সমস্যা দেখা দেয় থাইরয়েডে আক্রান্ত হলে।
থাইরয়েড দেহে বিপাক ক্রিয়া ও ইমিউনিটি সিস্টেমকে সচল রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং, এই হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা গেলে শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তখন ওষুধ খাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে আয়ুর্বেদিক চা এর উপর ভরসা রাখুন ।
ধনে বীজ, কারি পাতা, শুকনো গোলাপের পাপড়ি, এলাচ, দারুচিনি, মৌরি বীজ আর গ্রিন টি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন আয়ুর্বেদিক চা। গ্রিন টিয়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাইরয়েড গ্রন্থির প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, ধনে, কারি পাতা, গোলাপের পাপড়ি, এলাচ, দারুচিনি ও মৌরির মতো উপাদান রক্তে থাইরয়েডের হরমোনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
এই আয়ুর্বেদিক চা মেটাবলিজম বাড়ায় এবং ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া দেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। কমায় চুল ও ত্বকের সমস্যাও। থাইরয়েডের কারণে মহিলাদের মধ্যে ঋতুস্রাবের সমস্যাও দেখা দেয়। পিরিয়ডের নানাবিধ সমস্যা দূর করতেও সহায়ক এই আয়ুর্বেদিক চা। তাই থাইরয়েডের ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি এই আয়ুর্বেদিক চায়েও চুমুক দিন। বাড়িতে কীভাবে এই আয়ুর্বেদিক চা বানাবেন জেনে নিন ।
একটি পাত্রে ১ গ্লাস জল গরম নিন। এতে ২ চামচ ধনের বীজ, ৫-৬টি কারি পাতা, ১ চা চামচ শুকনো গোলাপের পাপড়ি, ১টি এলাচ, ১ ইঞ্চি দারুচিনি, ১ চা চামচ মৌরি বীজ ও ১ চা চামচ গ্রিন টি মিশিয়ে দিন। গ্রিন টি মেশানোর আগে বাকি মশলা ও ভেষজ দিয়ে জল ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর গ্রিন টি মিশিয়ে চা বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিলেই তৈরি আয়ুর্বেদিক চা। খাওয়ার সময়ে মধু মিশিয়ে খান এই চা। এতেই বশে থাকবে থাইরয়েড। তাই ওষুধের ঝামেলা এড়াতে ভরসা রাখুন আয়ুর্বেদিক চা-এ।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

