ওয়েব কাস্টিংয়ের ভিডিও পাবলিক! কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন!

ওয়েব কাস্টিংয়ের ভিডিও চলে এল জনসমক্ষে । সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে এবার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ।

নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকের সোনাচূড়া, ২৭৯ নম্বর বুথে গাঙ্গরা বাসুলি প্রাইমারী স্কুলের একটি ওয়েব কাস্টিং-এর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে । সেই ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ছাপ্পা মারার অভিযোগ তুলেছিলেন তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য ।

এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সূত্রের খবর, গলদ আছে নিজেদের মধ্যেই যার জেরেই বড় গাফিলতি । তবে, এই গাফিলতি কার জন্য তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর । সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে চাওয়া হয় রিপোর্ট । কমিশন সূত্রে আরও খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিটার্নিং অফিসার এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধেও নেওয়া হতে পারে কড়া পদক্ষেপ । একইসঙ্গে, যে বা যারা ওয়েব কাস্টিংয়ের এই ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে খবর কমিশন সূত্রে ।

প্রসঙ্গত, তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য শনিবার সকালে ভোট চলাকালীন অভিযোগ করেছিলেন, নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকের সোনাচূড়াতে অবাধ ছাপ্পা ভোট চালাচ্ছে বিজেপি । ২৭৯ নম্বর বুথে গঙ্গা বাসুলি প্রাইমারী স্কুলের ঘটনা এটি । তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের আরও অভিযোগ ছিল যে ওয়েব কাস্টিং চলাকালীন এই ছবি ধরা পড়েছে ।

এরপরই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে, ওয়েব কাস্টিং খতিয়ে দেখার পর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতরের সিইও আরিজ আফতাব জানান, ‘এটা ভুল খবর । এখানে ভিভিপ্যাট চেঞ্জ করতে হয়েছিল । কোন ছাপ্পা এখানে হয়নি’ ।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর এখন প্রশ্ন ওঠে, ভিতরের ওয়েবকাস্টিং-এর সিসিটিভি ফুটেজ পাবলিক হল কিভাবে? তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর হাতেই বা সেই ভিডিও এল কী করে ?

এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, ওয়েব কাস্টিংয়ের ভিডিও পাবলিক করা কমিশনের গাইডলাইনে নেই । বুথের ওয়েব কাস্টিংয়ের ভিডিও বাইরে বেরিয়ে যাওয়া মানে, তা দণ্ডনীয় অপরাধ । ভিতরের কেউই এই ওয়েব কাস্টিং-এর ভিডিও পাবলিক করতে পারে বলে অনুমান কমিশনের । অর্থাৎ সর্ষের মধ্যেই ভূত থাকতে পারে বলে অনুমান জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ।

এখন প্রশ্ন এরকম কাজ কে করতে পারে? এই বিষয়ে, কমিশনের পক্ষ থেকে যাবতীয় তথ্য জানতে চাওয়া হল সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ও সেক্টর অফিসারের কাছ থেকে । জানা যায়, রিপোর্ট এলে কড়া পদক্ষেপ নেবে কমিশন ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube