চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’, এই নামের অর্থ কী?

মাসের শেষেই আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। চলতি সপ্তাহেই গভীর নিম্নচাপ থেকে এই ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে? কতটা শক্তিশালী হবে ‘রেমাল’ তা এখনও স্পষ্ট বলতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। নানা প্রশ্নের মধ্যেই আরও একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘রেমাল’ দেওয়া হল কেন? এই শব্দের অর্থ কী?

জানা গিয়েছে, ‘রেমাল’ (Remal) নামটি দিয়েছে ওমান। যার অর্থ ‘বালি’ অথবা ‘বালু’। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৩ মে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রমশ সেটি শক্তি বৃদ্ধি করে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব দিকে এগোবে। ২৪ মে গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর ২৫ মে ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়বে। মে মাসের শেষে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশ। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

‘রেমাল’ কতটা শক্তিশালী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন উঠছে, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়লে তার আঘাতে পশ্চিমবঙ্গের কতটা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এর আগেও দেখা গিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের বড় প্রভাব পড়ে সুন্দরবন এলাকায়। ‘আয়লা’ ‘আমফান’-এ তছনছ হয়েছে বাড়ি ঘর। প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। ক্ষতিগ্রস্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।  তাই ফের একবার ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনার কথা জানতেই আতঙ্কের প্রহর গুনতে শুরু করেছেন সুন্দরবনবাসী।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ মে সর্বোচ্চ গতিবেগ ১২০ কিমি বেগে সুন্দরবনে তাণ্ডব চালিয়েছিল ‘আয়লা’। প্রাণ হারিয়েছিলেন শতাধিক নিরীহ মানুষ। ক্ষতির অঙ্কও ছিল বিশাল। ২০১৯ সালের মে মাসেই ছোবল দিয়েছিল ‘ফণী’, যার সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১৭৫ কিমি। ২০২০ সালের মে মাসে বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়ে ‘আমফান’। এর প্রকোপে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ৮০ জনের। ২০২১ সালের ২৬ মে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। এবার মে মাসেই আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমেল’। এই ঘূর্ণিঝড় কতটা শক্তিশালী হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube