‘বদলা আমি নেবই’, শুভেন্দুগড়ে দাঁড়িয়ে ২১-এ নন্দীগ্রামের ফল নিয়ে গর্জন মমতার

গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গ রাজনীতির চিত্র বিস্তর পাল্টে গিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ছায়াসঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করেন। নন্দীগ্রাম থেকে পদ্ম প্রতীকে ভোটেও দাঁড়ান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তৃণমূলের প্রার্থী হন খোদ দলের সুপ্রিমো। কিন্তু এক হাজার ভোটের ব্যবধানে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হন তিনি। তবে নন্দীগ্রামের ফলাফল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। জল গড়িয়েছিল হাইকোর্ট পর্যন্ত। মামলা এখনও চলছে। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে ফের সেই প্রসঙ্গে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)

তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের (Debangshu Bhattacharya) সমর্থনে বৃহস্পতিবার হলদিয়ায় সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১-এর নির্বাচনে নন্দীগ্রামের ফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বলেন, ‘নন্দীগ্রামে ডিএম বদলে, লোডশেডিং করে আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তার বদলা আমি নেবই। আমি ছাড়ব না।‘ ‘বদলা নয়, বদল চাই’ এই নীতি মেনে ২০১১ সালে বাংলায় সরকার গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে সভায় প্রকাশ্যে ‘বদলা’র কথা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়!

২০২১-এর ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়। নন্দীগ্রাম নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে ছিল। ভোট গণনার শেষে প্রথমে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘোষণা করা হয়, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ১ হাজারের কিছু বেশী ভোটে জয়লাভ করেছেন। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ওঠে, গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিং করে ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

নন্দীগ্রামের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলা এখনও চলছে। নন্দীগ্রাম ইস্যুতে বিভিন্ন সভা থেকে সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ও তাঁর দলের একাধিক সদস্য শুভেন্দু অধিকারীকে ‘লোডশেডিং বিধায়ক’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube