নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জামিন পেলেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। গত বছর এপ্রিল মাসে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তাঁর গ্রেফতারি ঘিরে শোরগোল পড়েছিল। শীর্ষ আদালতে জামিনের আবেদন নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। অবশেষে স্বস্তিতে তৃণমূল বিধায়ক।
নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। একবছরের বেশী সময় ধরে জেলবন্দী তিনি। কলকাতা হাইকোর্টে একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। এরপর সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন করেন তৃণমূল বিধায়ক। দীর্ঘ কয়েক মাস জেলে থাকলেও তদন্তে কোনও অগ্রগতি নেই, এই অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআইয়ের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট। এরফলে শুনানি পিছোতে থাকে। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে সওয়াল জবাবের পর জীবনকৃষ্ণের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) তৃণমূলের একের পর এক হেভিওয়েটের গ্রেফতারির মধ্যেই নাম জড়ায় জীবনকৃষ্ণ সাহার। গত বছর এপ্রিলেই তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। টানা ৭২ ঘণ্টা চলে তল্লাশি অভিযান চলে। সেইসময় নিজের দুটি মোবাইল পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। পরে একটি মোবাইল পুকুর থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দ্বিতীয় মোবাইলটি পাওয়া যায়নি বলেই খবর। তদন্তকারীরা দাবি করেছিলেন, দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই ফোন পুকুরে ফেলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এরপর টানা জেরা করা হয় তাঁকে। অবশেষে ১৭ এপ্রিল তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ১৩ মাস পর জামিন পেলেন তৃণমূল বিধায়ক।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের মত হেভিওয়েটরা এখনও জেলে। ভোটের মধ্যে জীবনকৃষ্ণ সাহার জামিনের আবেদন মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

