রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় ‘না’ কলকাতা হাইকোর্টের। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছে। এদিনই বিতর্কের জবাব দিতে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়েছে রাজভবনের তরফে। যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলার আবেদন করে এক ব্যক্তির দাবি, ‘সংবিধানে রাজ্যপালের নিজস্ব রক্ষাকবচ রয়েছে। তারপরও প্রমাণ ছাড়াই তাঁর সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।‘ আবেদনকারীর বক্তব্য, অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতারা যাতে কোনও মন্তব্য করতে না পারেন সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এনিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় না। পাশাপাশি এই বিষয়ে এখনও কোনও হস্তক্ষেপ আদালত করবে না বলে জানিয়ে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
গত সপ্তাহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। রাজভবনের এক মহিলা অস্থায়ী কর্মী হেয়ার স্ট্রীট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। সরব হয় বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিতর্কের জবাব দিতে বুধবার রাজভবনের তরফে বিবৃতি মারফত জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের পুলিশ ছাড়া যে কোনও নাগরিক ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে পারবেন।
সূত্রে খবর, রাজভবনের বিবৃতির পর বহুজন ফুটেজ দেখার আবেদন জানিয়ে নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। কলকাতা ছাড়াও জেলার অনেকে দূর দুরান্ত থেকে রাজভবনে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার ঘটনার দিনের ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়। ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটের ভিডিও দেখানো হয়েছে বলে খবর। তবে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের পরও বিতর্ক থামবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

