মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল এসএসসি মামলা শুনানি । মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে শীর্ষ আদালতের রায়ের দিকে নজর ছিল সবপক্ষের ।
আজ সুপ্রিম কোর্টে SSC মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানি । প্রথম দিনের শুনানিতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে । তবে চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোন স্থগিতাদেশ দেওয়া ছিল না । হাইকোর্টের নির্দেশ চাকরি বাতিল হয় ২৫৭৫৩ জনের ।
এদিনও অতিরিক্ত শূন্য পদ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ফের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রাজ্যকে । এদিন রাজ্য সরকারকের আইনজীবেকে বিচারপতির প্রশ্ন, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায়, ২০২২ সালে অতিরিক্ত শূন্য পদ কেন তৈরি করা হয়েছিল? কেন রাজ্য অতিরিক্ত শূন্য পদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল তা জানতে চাওয়া হয় আদালতে ।
এদিন এসএসসি মামলায় তীব্র ভর্ৎসনার সম্মুখীন হতে হয় রাজ্যকে । সিবিআই এর হাত থেকে রাজ্যের মন্ত্রিসভাকে বাঁচাতে রাজ্যের পক্ষ থেকে এসএসসি-র জন্য ওঠে একাধিক সওয়াল । জানতে চাওয়া হয়, কারা যোগ্য-কারা অযোগ্য এটা তাঁরা বলতে পারবে কি না । পুরো প্যানেলের বাতিলের প্রয়োজন ছিল কি না তাও জানতে চাওয়া হয় ।
এই নিয়েই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, কারা যোগ্য, কারা অযোগ্য কেন এতদিনে বলতে পারেনি এসএসসি ? তবে ৭ হাজার নিয়োগ অবৈধ হয়েছে বলে অবশেষে আদালতে জানায় এসএসসি । ১৯ হাজার বৈধ নিয়োগের তালিকা রয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে জানায় এসএসসি । একই সঙ্গে জানানো হয়, ৬ হাজার ৮৬১টি অতিরিক্ত শূন্য পথ তৈরি করা হয়েছিল ।
অন্যদিকে ১২% সুদ সহ বেতন ফেরতের নির্দেশের বিরুদ্ধে সওয়াল করে এসএসসির আইনজীবী । বেতন ফেরতের নির্দেশ যুক্তিযুক্ত নয় বলে জানায় এসএসসি । একই সঙ্গে, বেতন ফেরতের ক্ষেত্রেও আদালত বিভাজন করে দিয়েছে এসএসসি । এদিন এসএসসি আরও জানায়, সিবিআই নাইসার ডেটার ভিত্তিতে তদন্ত করছে । যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ডেটাই না থাকলে সমস্ত নিয়োগ বাতিল হওয়া উচিত মন্তব্য ।
প্রধান বিচারপতি মন্তব্য , সরকারি চাকরি অত্যন্ত মূল্যবান । অনেক দরিদ্র মানুষও সরকারি চাকরির আশায় থাকেন । তাঁর প্রশ্ন, সরকারি নিয়োগে যদি মানুষের ভরসা উঠে যায় তাহলে কি রইল ?
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবে বলেন, ‘‘হাই কোর্টের রায়ে প্রায় ২৬ হাজার মানুষ চাকরিহারা । যোগ্য এবং অযোগ্য বাছাই করা হোক । মাথা ব্যথা হচ্ছে বলে পুরো মাথা কেটে দেওয়া কাজের কথা নয় । সকলের চাকরি গেলে শিক্ষক পাব কোথায়?’’
সুপ্রিম কোর্টে এসএসসির আইনজীবী দাবি করেন, ১৯ হাজার যোগ্য প্রার্থী রয়েছে । কারোর চাকরি বাতিল করতে পারে না আদালত । ওএমআর শিট নষ্ট নিয়েও প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়লে তাদের দাবি, এই মামলায় ডিজিটাল তথ্য রয়েছে ।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

