দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। রায়বরেলি থেকেই প্রার্থী হচ্ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। একটানা ২৬ বছর এই আসনে গান্ধী পরিবারের সদস্যরাই প্রার্থী হয়ে এসেছেন। ২০১৯ সালে রাহুল গান্ধী পরাজিত হলে এইবার সেখানে ‘অ-গান্ধী’ একজনকে প্রার্থী করা হচ্ছে। কাকে টিকিট দিলেন নেতৃত্ব?

রাজনীতির ক্ষেত্রে কথায় আছে, ‘উত্তরপ্রদেশ যার, দিল্লি-ও তার’। অর্থাৎ যে দল লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকে সর্বাধিক আসন পাবে তারাই কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার অধিকারী হবে। সেই কারণে ভোট পর্বে বিশেষ নজর থাকে উত্তরপ্রদেশের উপরেই। বিগত কয়েক বছরে হাত শিবির দুর্বল হতে শুরু করে এই রাজ্যে। যদিও আমেঠি ও রায়বরেলি- এই দুই আসন তাদের দখলেই ছিল। কিন্তু গতবারে রাহুল গান্ধীর পরাজয়ে সেই রেকর্ড ভেঙে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একবার হেরে গিয়ে ফের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না সনিয়া পুত্র। সেই কারণেই ওয়ানডের পর রায়বরেলি থেকে প্রার্থী হলেন তিনি।

জল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী আমেঠি থেকে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রায়বরেলি থেকে প্রার্থী হবেন। শুক্রবার (৩ মে) কংগ্রেসের তরফে ঘোষণা করা হয়, প্রিয়াঙ্কা নয়, রায়বরেলি থেকে প্রার্থী হবেন রাহুল গান্ধী। জল্পনা থাকলেও এবারেও ভোটযুদ্ধ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখলেন প্রিয়াঙ্কা। আমেঠি আসনে প্রার্থী হচ্ছেন কে এল শর্মা ওরফে কিশোরী লাল শর্মা। ২৬ বছর পর গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ টিকিট পেলেন আমেঠিতে।

সূত্রে খবর, কে এল শর্মা গান্ধী পরিবার ঘনিষ্ঠ। ১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর দু’তরফের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়। ১৯৯৯ সালে সনিয়া গান্ধী প্রথমবার আমেঠি থেকে জয়ী হওয়ার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই কে এল শর্মার। আমেঠি কংগ্রেসের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই আসন জিততে কংগ্রেস কোনওরকম কমতি রাখবে না, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

