বহরমপুরে পদ্ম ফোটাতে সভা সারলেন যোগী আদিত্যনাথ

বহরমপুরে পদ্ম ফোটাতে মরিয়া বিজেপি । তাই লোকসভা নির্বাচনের আগে শক্তিপুরে সভা সারলেন যোগী আদিত্যনাথ! মঙ্গলবার বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের শক্তিপুর প্রতাপপুর মাঠে নির্বাচনী জনসভা করতে আসলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ । মঙ্গলবার এই সভাতে যোগী আদিত্যনাথ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি শাখারপ সরকার, বহরমপুরের বিজেপির প্রার্থী ডাঃ নির্মল সাহা সহ বিজেপির কার্যকর্তারা।

বহরমপুর লোকসভাকে বিজেপির পাখির চোখ করেই পদ্ম ফোটাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির । বিজেপির প্রার্থী ডাঃ নির্মল সাহার সমর্থনে এই ভোটের নির্বাচনী প্রচার হয় মঙ্গলবার দুপুরে । শক্তিপুরে প্রখর রৌদ্রকে উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো । সভা মঞ্চ থেকে ফের কেন্দ্রে ৪০০ পার হওয়ার হুঙ্কার দিলেন যোগী আদিত্যনাথ । বহরমপুর গড়ে অধীরকে আক্রমণ না করলেও কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একসুরে কটাক্ষ করে আক্রমণ করেন তিনি । পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে আগামী দিনে সোনার বাংলা তৈরি করার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানান যোগী আদিত্যনাথ ।

যোগী আদিত্যনাথ এদিনের এই সভা থেকে বলেন, ‘ভারতীয় ক্রান্তিভূমি বহরমপুরকে, মহান মানুষজন যারা স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য সর্বোচ্চ দান করেছিলেন তাদের সবাইকে আমার কোটি কোটি প্রণাম জানাই’ । তাঁর প্রশ্ন, ‘পশ্চিমবঙ্গ আগে একটি নতুন দিশা দেখাতো, পশ্চিমবঙ্গ এখন এত কেন দিশাহীন হয়ে পড়েছে?’ তিনি আরও বলেন, যে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রগীতি বন্দেমাতরম ও জনগণ মন দিয়েছিল সেই পশ্চিমবঙ্গে এখন চিৎকার এবং কান্নার আওয়াজ দেখা যাচ্ছে । পশ্চিমবঙ্গ যখন বলত, আমরা গর্ব করেই বলি যে আমরা হিন্দু, কিন্তু সে হিন্দু পরম্পরা সংস্কৃতিকে সংরক্ষণে কেন এত অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে? আজকের বাংলা সোনার বাংলা নেই । কংগ্রেস ও তৃণমূল দু’জনে একই ভারতবর্ষকে লুঠ করছে’ ।

উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আগে উত্তরপ্রদেশেও উতপ্ত ছিল । আজকে থেকে সাত বছর আগে উত্তরপ্রদেশেও এরকম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল । কিন্তু এখন উত্তরপ্রদেশে আজকের সাত বছরে কোন দাঙ্গা জাতিগত সমস্যা কিছু হয় না । উত্তরপ্রদেশে কোন কার্ফু জারি হয় না । কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন যোজনা থেকে কৃষক থেকে আরম্ভ করে সাধারণ মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন । আজকে উত্তরপ্রদেশে মানুষ সুবিধা পেলেও কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন । এই পশ্চিমবঙ্গ যেখান থেকে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “গর্ব করে বল আমি হিন্দু, কিন্তু আজকে হিন্দুরআ শিকার হচ্ছে”।’

রাজ্যের দল ও কংগ্রেসকে এক যোগে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল ও কংগ্রেস দাঙ্গা লাগাতে চাইছে । পশ্চিমবঙ্গের নরেন্দ্র মোদী কোন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা করলে তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়ন করতে দেয় না । সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা রামের নাম নিয়ে চলি, কোন কিছু কার্যকারী হলে আমরা রামায়ন পাঠ করি । আর যদি কেউ দেহ রাখেন তাহলে রাম নাম সত্য হয়ে বলে তাকে স্বর্গবাস করানো হয় । আজকে পশ্চিমবঙ্গে যেমন বড় বড় অনুষ্ঠান হয় ঠিক তেমনি দুর্গাপূজা হয়ে থাকে উত্তরপ্রদেশেও । কিন্তু উত্তরপ্রদেশে কোন সাম্প্রদায়িক কিছু হয় না । যারা এই সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটিয়ে চলে তাদের বিরুদ্ধে কেন পুলিশ সঠিক উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে না?

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube