অবাধ নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক নিয়োগ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের, জারি একগুচ্ছ নির্দেশ

নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : আগামী ১৯ এপ্রিল ২১টি রাজ্য ১০২টি লোক সভা কেন্দ্র নির্বাচন হতে চলেছে । শান্তিপূর্ন পরিবেশে অবাধ নির্বাচনের জন্য ৩৫০জন পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন । একই সঙ্গে দেওয়া হল আরও একগুচ্ছ নির্দেশ ।

এদের মধ্যে রয়েছেন ১২৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৬৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক, ১৬৭জন আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষকদের নিযুক্ত করা হয়েছে বলে খবর । প্রথম দফার নির্বাচন নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন । সমস্ত প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করে দিতে হবে বলে জানায় কমিশন । নির্বাচনের আগে ভোট কেন্দ্র এবং নির্বাচনী এলাকার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পূর্ন করে নিতে হবে । নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন পর্যবেক্ষকদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় কমিশন ।

একই সঙ্গে জানানো হয়, পর্যবেক্ষকদের ঠিকানা, ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রার্থী, জনসাধারণ এবং রাজনৈতিক দলগুলির কাছে দিয়ে দিতে হবে । কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বহীন হতে হবে বলেও নির্দেশ কমিশনের । বিশেষ পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে । ভোট কর্মীদের উপস্থিতিতে ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের বিলিব্যবস্থা করতে হবে । ভোটার তালিকা সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের হাতে তুলে দিতে হবে । হোম ভোটিং সার্ভিস ভোটের এবং পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে ।

পাশাপাশি জানা যায়, স্পর্শকাতর কেন্দ্রেগুলির জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহন ব্যবস্থা সহ যোগাযোগ ব্যবস্থা জেলা প্রশাসনকে ঠিক করে দিতে হবে । নির্বাচনের আগেই মাইক্রো অবজারভারদের দায়িত্ব দিয়ে দিতে হবে । নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে ইভিএম ও ভিভি প্যাটকে প্রার্থী বা তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের সামনে সম্পাদন করতে হবে । স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রার্থীদের বা তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের সামনে নিশ্চিত করতে হবে ।

স্বতন্ত্র সনাক্তকরণ করে সমস্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হবে । প্রত্যেকটি জেলার কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে প্রত্যেকটি মুহূর্তের নজরদারি চালাতে হবে । ভোটের দিনের আগেই ভোটার স্লিপের বিতরণ ব্যবস্থা করে নিতে হবে । নির্বাচনের সমস্ত অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাজে লাগাতে হবে । সমস্ত ভোট কর্মী মাইক্রো অবজারভার, কাউন্টিং স্টাফদের প্রশিক্ষণ সময়মত শেষ করে নিতে হবে ।

আরও জানানো হয়, প্রত্যেকটি কেন্দ্রে নিশ্চিত ন্যূনতম পরিষেবা প্রদান করতে হবে । বয়স্ক ভোটার, শারীরিক ভাবে অক্ষম, মহিলা ভোটারদের সুবিধার্তে ভোটের সহায়তা কেন্দ্র প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রের বাইরে থাকবে । খাওয়ার জল, মাথায় শেড বা সামিয়ানা , লাইনের সঠিক ভাবে দাড়ানোর এবং বসার ব্যবস্থা করতে হবে । ফ্লাইং স্কোয়াড, স্ট্যাটিক সার্ভিলেন্স টিম, ভিডিও ভিউয়িং টিমকে সবসময় সক্রিয় থাকার নির্দেশও দেওয়া হয় ।

একই সঙ্গে রাজ্য সীমান্ত বা অন্তরাজ্য সীমান্ত বা আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিশেষ ভাবে নজরদারি চালাতে হবে । চেক পোস্ট , নাকা চেকিং , পিকেটিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ বিতরণ , মদ বা মাদক সোনা উদ্ধার অভিযান প্রত্যেকটি মুহূর্তে চালাতে হবে । মিডিয়া মনিটরিং সিস্টেম এর মাধ্যমে পেড নিউজ এবং রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের উপরে নজর রাখতে হবে । ভুয়ো খবরকে অবিলম্বে আটকানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে নির্দেশিকা জারি করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন । দেশজুড়ে ২৩টি নির্দেশিকার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকদের এমনই নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ।

Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube