দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন সুকান্ত মজুমদার! কী জানালেন তিনি?

সোমবার সকালে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার । এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি । উঠে আসে বেশ কিছু প্রসঙ্গও । তিনি জানান, দিল্লিতে দলীয় বৈঠক রয়েছে তাঁর, যোগ দিতে দিল্লিতে যাচ্ছে তিনি যাওয়া প্রসঙ্গে ।

বিজেপিতে যোগদান পর্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যোগদান মেলা শুরু হয়নি আর যোগদান মেলার মত কিছু আমরা করব না । সমাজের যারা বিশিষ্টজন বা অন্য দল থেকে আসতে চাইবে স্বচ্ছ ভাবভূর্তি রয়েছে যাঁদের,তাঁদের আমরা বিজেপিতে যোগদান করাব । তৃণমূল অনেক কম আসন পাবে আমাদের থেকে’ ।

ইতিমধেই তাপস রায়কে নিয়ে শাসক দলে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা । সেই প্রসঙ্গে এদিন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাজনীতিতে সবকিছুই সম্ভব । সব ধরনের সম্ভাবনাই থাকতে পারে । তাপস রায়ের ক্ষোভ নিয়ে তিনি বলেন, ‘গোটা বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণে বদল আসবে, অপেক্ষা করুন’ ।

একই সঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় গতকাল অবসরের কথা ঘোষণা করেছেন । সেই নিয়ে সাংসদ বলেন, ‘তাঁর মতো ভালো মানুষ, সৎ মানুষ রাজনীতিতে আসা দরকার । রাজনীতি যদি শেখ শাহজাহানের মত চোর গুন্ডা বদমাশরা থাকে, যেরকম তৃণমূল কংগ্রেসে রাজনীতি করে তারা এলে রাজনীতি কোনদিন শুদ্ধ হবে, না ভালো হবে না । বিচারক গাঙ্গুলি রাজনীতিতে এলে রাজনীতি শুদ্ধ হবে; সে যে দলেই তিনি যান না কেন । রাজনীতি মানুষকে আকর্ষণ করবে’ ।তবে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না সেই প্রসঙ্গ এক প্রকার এড়িয়েই তিনি বলেন,
‘ক্রমশ প্রকাশ্য’ ।

কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ৬ তারিখে রাজ্যে আসছেন। ৫ তারিখে উনি পৌঁছে যাবেন, তারপর আবার ৯ তারিখে উনি শিলিগুড়ি আসছেন’ । এরপরই উঠে আসে বাংলার দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরব হওয়ার প্রসঙ্গ । এই বিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ জানান, ‘দেশের মধ্যে বাংলা এখন দুর্নীতিতে শিরোমণি, চুরির ক্ষেত্রে স্পেশালাইজড । যত ধরণের চুরি হয়, বাংলাতে সব ধরনের চুরির স্পেশালাইজেশন রয়েছে । প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়ে ওয়াকিবহাল রয়েছেন । স্বাভাবিকভাবেই দুর্নীতি বড় ইস্যু ।

সম্প্রতি রাজ্যের একাধিক জেলায় এখন দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ । সেই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পঞ্চায়েত ভোটে ৪০-৪৫ জন মারা গিয়েছেন । ২০১৪ সাল থেকে যদি ধরি তাহলে ভারতীয় পার্টির প্রায় ২০০ জনের বেশি কার্যকরতা মারা গিয়েছেন । ভোট আসবে যাবে, কোন পরিবারের একজন ব্যক্তির মায়ের কোল খালি হয়ে যাবে, কোন ব্যক্তি মারা যাবে, কোন স্ত্রীর সিথির সিঁদুর মুছে যাবে, এটা কাঙ্ক্ষিত নয় । তাই ভোটের এক মাস তিন মাস যত আগে উচিত কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো ।
কমিশনের দায়িত্ব ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন করানো । মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে তার ব্যবস্থা করা । তার জন্য যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা করবে । প্রয়োজনে আর্মি নামাতে হলে আর্মি নামাবে’ ।

শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির পর বসিরহাটে কতটা সুবিধা হবে সেই নিয়ে তিনি জানান, শেখ শাজাহানের সঙ্গে ভোটের কোন সম্পর্ক আছে বলে তাঁর মনে হয় না ।তিনি জানান, ‘তবে এটা ঠিক সন্দেশখালি জনগণ যারা এতদিন ভোট দিতে পারেননি তারা ভোট দিতে পারবেন ; যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেবেন’।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube