গবেষণার নামে অনুদানের টাকার তছরূপ রুখতে কড়া পদক্ষেপ স্বাস্থ্য দফতরের

বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের নামের মধ্যে ‘রিসার্চ’ শব্দটি থাকলেই, দেখাতে হবে গবেষণার প্রমাণ । প্রমাণ দেখাতে না পারলে, লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করা হবে না ওই বেসরকারি হাসপাতালের । সোমবার ক্লিনিক‍্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট রুলের 4(2C) ধারাকে উদ্ধৃত করে সব বেসরকারি হাসপাতাল নার্সিংহোমের জন্য নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর ।

ক্লিনিক‍্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট রুলের এই ধারায় বলা আছে, লাইসেন্সিং অথরিটির অনুমতি ছাড়া কোনও বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান তাদের নামে রিসার্চ শব্দটি ব্যবহার করতে পারবে না । রিসার্চ শব্দটি ব্যবহার করতে হলে চিকিৎসা গবেষণা সংক্রান্ত বিস্তারিত নথি জমা দিতে হবে লাইসেন্সিং অথরিটিকে ।

স্বাস্থ্য ভবনের সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, রিসার্চ ইনস্টিটিউট তকমা পেতে এবং ধরে রাখতে হলে কয়েকটি নিয়ম মানতে হবে । যেমন,
১. প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে ।
২. হাসপাতালের নিজস্ব বৈধ এথিক্স কমিটি থাকতে হবে ।
৩. হাসপাতালে গবেষণার জন্য যোগ্য লোক থাকতে হবে ।
৪. হাসপাতালের আলাদা গবেষণা বিভাগ থাকতে হবে ।
৫. গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য কোন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, জমা দিতে হবে তার নথি ।
৬. গবেষণার বিষয়ের ওপর ‘intellectual property right’ চেয়ে হাসপাতাল আবেদন করেছে, তার নথি লাগবে।
৭. গবেষণার বিষয়বস্তুর ওপরে পেটেন্ট পাওয়া গিয়েছে কি না, বা পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে কিনা, লাগবে সেই নথিও।
৮. প্রতিষ্ঠানে পিএইচডি এবং এমফিল পড়ানো হয় কি না সেই সংক্রান্ত অনুমোদনের নথি লাগবে ।
৯. প্রতিষ্ঠান কোনও প্রমূখ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কি না তাও জানাতে হবে।
১০. গবেষণার জন্য আইসিএমআর বা কোনও সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুদান মিলেছে কি না, মিললে গবেষণা শেষের পর ‘fund utilization statement’ জমা দিতে হবে সেই সংক্রান্ত নথিও ।

প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে কুড়িটিরও বেশি এরকম বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান আছে যাদের নামের সঙ্গে রিসার্চ শব্দটি যুক্ত । এবার বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিও স্বাস্থ্য দফতর ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube