সন্দেশখালি ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কলকাতা হাইকোর্ট। অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি সুশান্ত সর্দার, শেখ শাহাজান ও শিবু হাজরার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীরা। অশান্ত সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে রাজ্য। গোটা সন্দেশখালি জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়ে আছে এই বিষয়টা অবশ্যই প্রশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে কিন্তু প্রশাসনের ভূমিকাই এখন প্রশ্নচিহ্ন” মন্তব্য বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর। “এক বা দু’দিনের বিষয় নয়, গত তিন মাস আগে থেকেই গ্রামবাসীরা পুলিশের কাছে একাধিক অভিযোগ করেছেন পুলিশ কেন তাঁদের ভূমিকা সঠিক ভাবে পালন করল না?” রাজ্যের আইনজীবীকে প্রশ্ন বিচারপতির জয় সেনগুপ্ত। “এখনও এমন বহু ঘটনা রয়েছে যা দেখে আদালত চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না” সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে তীব্র খুব প্রকাশ বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
সন্দেশখালি ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায় তাঁর রায়ে উল্লেখ করেন, সন্দেশখালির দুটি বিষয় নিয়ে তিনি বিচলিত।
প্রথমত, আদিবাসীদের জমি দখল করার অভিযোগ। পাশাপাশি সেখানকার মহিলাদের মাথায় বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ। এই ঘটনায় আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় কে আদালত বান্ধব হিসেবে নিয়োগ করেছে আদালত। রাজ্যের পিপি দেবাশীষ রায়কে এ ব্যাপারে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

