সন্দেশখালিতে গিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

সন্দেশখালি সংলগ্ন ধামাখালির অতিথিশালায় সকাল সাড়ে ১১ টার পর প্রবেশ করেন রাজ্যপাল। সেখান থেকেই লঞ্চে করে, ছোট কলাগাছি নদী পার করে সন্দেশখালি ঢোকেন রাজ্যপাল। এরপর সন্দেশখালির মানুষ রাজ্যপালকে স্বাগত জানালে, রাজ্যপাল বলেন ধন্যবাদ। রাজ্যপালকে দেখে গ্রামের মহিলা প্রথমে ছুটে আসে। কেউ রাজ্যপালের পায়ে পড়ে গিয়ে কাকুতি-মিনতি করে তাঁদের দুঃখের কথা জানান। এরপর উল্লু ধ্বনি দিয়ে, কাঁসর বাজিয়ে মহিলা গ্রামবাসীরা বরণ করে নেন রাজ্যের রাজ্যপালকে।

মহিলাদের ওপরে অত্যাচার বন্ধ, ১৪৪ ধারা যাতে লাঘু হয়, পুলিশ যেসমস্ত নিরাপরাধ ব্যাক্তিত্বের গ্রেফতার করেছেন তাঁদের যাতে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হয় এই দাবি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে ছুটে আসেন একাধিক গ্রামবাসী। রাজ্যপালের কাছে এসে কাকুতি মিনতি করেন। পিটিশন জমা দেন অনেকে। রাজ্যপালকে দেখে অনেকে রাস্তায় বসে পড়েন। তাদের অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। শেখ শাহজাহানের ও শিবু হাজরার অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। রাজ্যপালও প্রত্যেকের (গ্রামের মহিলারা) সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদেরকে আশ্বস্ত করেন।

রাজ্যপাল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ” এটা স্পষ্ট যে আমি এই ঘটনা দেখে যথেষ্ট শকিং হয়েছি, শিউরে উঠছি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জায়গাতে এই ধরনের ঘটনা বিশ্বাস করা যায়না। স্বামীর সামনে নির্যাতন করা হত গ্রামের মহিলাদের। এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য যদি রাজ্যের আইন, রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে যেতে রাজি আমি। এই ঘটনা লজ্জা আমাদের সমাজের। আমার ক্ষমতায় যা সম্ভব তাই করব। গুন্ডারা বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের ও শিশুদের হেনস্থা করেছে। সংবিধানের আওতায় থেকে আমি লড়াই করব।”

শুভেন্দু অধিকারীকে আটকে দেওয়ার প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাই মন্তব্য করব না। তবে আমার নজর একটাই দিকে সন্দেশ খালির মানুষকে সুবিচার পাওয়ানোর। এটা আমার দায়িত্ব।
সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে বোস বলেন, “আমার বোনের ন্যায় বিচার দিতে আমি লড়ব।”

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube