বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে হট্টগোল বিজেপির

‘ক্যাগ’ (সিএজি) রিপোর্টে রাজ্য সরকারে বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে আলোচনার দাবিতে মঙ্গলবার বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব জমা দেন বিজেপির পরিষদীয় দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং মনোজ ওঁরাও ও শঙ্কর ঘোষ-সহ বিজেপির মোট ছ’জন বিধায়ক সেই মুলতুবি প্রস্তাব জমা দেন। পাশাপাশি, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে তদন্তের দাবিও তোলেন তাঁরা। যদিও আলোচনার অনুমতি দেননি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা কক্ষে বিজেপি বিধায়কদের হট্টগোলের পর অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। বাইরে বেরিয়ে যান বিরোধী বিধায়কেরা। বিধানসভার বাইরেও মিনিট দশেক সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে স্লোগান দেন তাঁরা। তবে দশ মিনিট পরে বিজেপি বিধায়কেরা বিক্ষোভ সমাবেশ তুলে নেন। বিধানসভায় সিএজি রিপোর্ট নিয়ে বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসব চলবে না আমরা করবো। ওরা যা পারে করে নেবে। আপনাদের মাধ্যমে আমরা দুর্নীতির বিষয় আমাদের কথা তুলে ধরবো। ক্যাগ রিপোর্টের ওপর মুলতবি প্রস্তাব এনেছি। এই রিপোর্টে ভয়ংকর তথ্য রয়েছে। অনেক ভুয়ো অ্যাকাউন্টে কথা বলা হয়েছে। মানি ডাইভারশন কেন্দ্রীয় নির্দেশ কেভায়োলেশন সহ সমস্ত রিপোর্ট রয়েছে। এ কারণে বিধানসভায় অধ্যক্ষ এটা পড়তে দিলেন না। ‌ মমতা এখন চোর শুনতে পাচ্ছেন না। উনি আবার স্বীকার করেছেন। আমরা ওয়াকাউট করিনি। লোকসভার কথা বলেছেন স্পিকার।”

প্রসঙ্গত, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তৃণমূল সরকার ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে, তার আগের কথা তাঁরা জানে না। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যের তৃণমূল সরকার এই টাকা নয়ছয় করেছে। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, এর মধ্যে ২০০২-০৩ থেকে বাম জমানার হিসাবও রয়েছে। তাঁর কাছে কেন ২০০৩ সালের হিসাব চাওয়া হচ্ছে? সে সময়ে তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতাতে আসেনি। সিএজি ‘বিজেপির জন্য রাজনৈতিক দলিল তৈরি করছে’ বলেও দাবি করে রাজ্যের শাসকদল।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube