জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষের পর কোন ঠিকানায় বাকিবুর রহমান?

জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে, রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর রহমানকে শুক্রবার নগর দায়রা আদালতে পেশ করা হয়। এদিন বাকিবুর রহমানকে সংশোধনাগার থেকে আদালতে পেশ করবার সময় ধৃত বাকিবুর রহমান সম্পূর্ণ নিরুত্তর ছিলেন।পাশাপাশি এদিন আদালতে, বাকিবুর রহমানের আইনজীবী তরফে জানানো হয়, বাকিবুর রহমানের বিভিন্ন কোম্পানি রয়েছে, সেই কোম্পানিতে কর্মরত কর্মচারীদের বেতন সংক্রান্ত সমস্যা হচ্ছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে বাকিবুর রহমান সংশোধনাগারে রয়েছেন। তাই কর্মচারীদের বেতন যাতে সুষ্ঠুভাবে দেওয়া যায়, তাই আদালতে রাকিবুর রহমানের আইনজীবী ১০ টা চেকে সই করার অনুমতি চান আদালতে।

সেই সংক্রান্ত একটি আবেদন বিচারকের কাছে বাকিবুর রহমানের আইনজীবী জানান। এর প্রেক্ষিতে মাননীয় বিচারক প্রশান্ত মুখোপাধ্যায় জানান, বাকিবুর রহমানের এই সমস্ত ব্যাংক একাউন্ট গুলি আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কিনা এবং অ্যাকাউন্টগুলিকে সিজ করা হয়েছে কিনা এই বিষয়টি দেখবার প্রয়োজন রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বাকিবুর রহমানের আইনজীবী জানান, সেই অ্যাকাউন্ট গুলো বাজেয়াপ্ত করা নেই। ওঁর কোম্পানির অধীনস্ত কর্মীদের মাইনে পেতে সমস্যা হচ্ছে। সেটার জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক। আদালত এদিন ইডিকে, এই ব্যাংক একাউন্ট গুলো স্বচ্ছ কি না সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট শুক্রবার জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল। পরবর্তী শুনানি দুপুর তিনটের সময়।

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর রহমানের মামলাটি ছিল ইডির বিশেষ আদালতে। এদিন আদালতে জামিনের আবেদন জানান তাঁর আইনজীবী। পাশাপাশি, ১১ টি চেক সংক্রান্ত বিষয়ে সইকে কেন্দ্র করে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বাকিবুর রহমানের আইনজীবী। এদিন ইডির আইনজীবী জানান, চেকের ক্ষেত্রে, চেকে উল্লেখ করা ব্যাংক এর নং কী কারণে চেক ইস্যু হচ্ছে, কত টাকা তোলা হচ্ছে সেই বিষয়ে জানবার দরকার । ১৯ ই ফেব্রুয়ারী জামিনের আবেদন শুনানি। চেক সংক্রান্ত মামলার শুনানি ১২ই ফেব্রুয়ারী ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube