অব্যহত সিএএ জল্পনা

লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, আসন্ন অন্তর্বর্তী বাজেট অধিবেশনেই (চলতি লোকসভার শেষ অধিবেশন) ওই আইনের ধারায় যাতে সংসদীয় সিলমোহর পড়ে, তার জন্য তৎপরতা শুরু হয়েছে। সূত্রের মতে, সংসদীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই ওই আইনের ‘গেজেট নোটিফিকেশন’ জারি করবে কেন্দ্র। যাতে দ্রুত এই আইনের ধারায় নাগরিকত্ব দেওয়া সম্ভব হয়।

সিএএ প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক বিতর্কের মূলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। গতকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক সভায় তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশে সিএএ কার্যকর হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও আজ বলেন, “ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে সিএএ চালু হয়ে যাবে। ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি নাম নথিভুক্তকরণের সুযোগ দেবে। সিএএ-র সঙ্গে এনআরসির সম্পর্ক নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, এটা নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, নাগরিকত্ব কাড়ার আইন নয়।”

এনিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, “এটা ইলেকশনের সময় সবসময় হয়। রাম যেমন ইলেকশন ইস্যু। ওদের সব বিধায়ক সাংসদরা জোর গলায় টিভির সামনে বলছে রাম আমাদের ইলেকশন ইস্যু।”

তিনি আরও বলেন, “রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি – হওয়াটা বাঞ্ছনীয় নয়। কিন্তু আমার কাছে প্রশ্ন হচ্ছে যে ভারতবর্ষ থেকে যখন হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে চলে গিয়েছিল আমাদের দেশের একজন ব্যাবসায়ী তখন যে দুর্নীতি হয়েছিল তার দায় কার ? শুধু বাংলা নয় সারা ভারতবর্ষে ইডি সিবিআই হচ্ছে। ৫ টাকার দুর্নীতিও দুর্নীতি এটা আমি মনে করি। যদি কেউ দুর্নীতি করে বিজেপিতে চলে যায় তাকে কোনো চ্যানেলও প্রশ্ন করে না। এই উদাহরণ আমাদের বাংলায় আছে। শিক্ষকের গায়ে হাত দেবে কোন অধিকারে?? উত্তরপ্রদেশে তো একজন শিক্ষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে এটাও তো ভালো নয়। যুক্ত রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে।”

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube