প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ তুলে নিল শীর্ষ আদালত

২০২২ সালের প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার মামলার প্যানেল প্রকাশের উপর স্থগিতাদেশ তুলে নিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে রাজ্য। প্যানেল প্রকাশেও বাধা তুলে নিল বিচারপতি হিমা কোহলি, বিচারপতি আসানুদ্দিন আমানুল্লাহের বেঞ্চ। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পূর্বে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাতেই মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত ।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য বিএড ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন না। প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ডিএলএড পাশ আবশ্যক। তবে ২০১৪ সালের সময় এই বিষয়টি বাধ্যতামূলক ছিল না। পরবর্তীকালে জটিলতা তৈরি হয়। সেই কারণে ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণেরা ২০২০ সালে ডিএলএড কোর্সে ভর্তি হন। এরপর ২০২২-এর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময়ে সেই সব চাকরি প্রার্থীরা মার্কশিট হাতে পাননি।

পরবর্তীকালে সেই সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা চাকরিতে সুযোগ পাবেন কি না, এ নিয়ে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টের পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। এর ফলেই ২০২২-এর নিয়োগ প্যানেলে গত বছর স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার সেই স্থগিতাদেশ তুলে নিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কোহলি ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্যানেল প্রকাশে আর বাধা থাকছে না। এদিকে রাজ্য জানিয়েছিল, ১১হাজার৭৬৫ জনের চাকরির নিয়োগ পত্র প্রস্তুত করে রেখেছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ তুলে দেয়ার চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের কাজ শুরু করবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে ১১হাজার ৭৬৫ জনের তালিকা প্রস্তুত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রাথমিক শিক্ষক পদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং, ইন্টারভিউ সমস্ত কিছুই সম্পন্ন হয়ে আছে। কিন্তু মামলা চলার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি। এদিন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ার পর আদৌ কবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় উঠছে সে প্রশ্ন।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube