প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যর

হাওড়া ময়দানের ফাঁসিতলা এলাকায় দু’পক্ষের অশান্তিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বুধবার রাতে। গভীর রাত পর্যন্ত চলে গন্ডগোল। বৃহস্পতিবার রাতে একাধিক দোকান ও ৭-৮টি গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সংঘর্ষে উভয়পক্ষের প্রায় ৮ জন আহত হন। পুলিশ ও র‍্যাফ নামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। সকাল থেকে সেই এলাকায় দোকানপাট, বাজার বন্ধ।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংবাদিক সম্মেলন করে শমীক ভট্টাচার্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। বললেন, “অযোধ্যায় রামমন্দির স্থাপন নিয়ে উন্মাদনা দেখা গেছে সারা দেশে। এমনকি এরাজ্যেও। কিন্তু এরমধ্যে মধ্য হাওড়ায় অশান্তি ছড়াল।” রাম মন্দির স্থাপনের পরের দিন পুলিশ জানালো রামের ছবি, পোস্টার ইত্যাদি খুলে দিতে হবে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে। তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী এলাকায় এসে অশান্তি সৃষ্টি করেন । পুলিশের সামনে আক্রমন হলো। অথচ পুলিশ নির্বিকার !

রামনবমীর মিছিলের অশান্তির কোথাও এদিন বলেন শমীক । “বিভাজনের রাজনীতি করছে, মুখ্যমন্ত্রীর সম্প্রীতির মিছিলের পর এই নমুনা” তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নক্কার জনক ভূমিকা পুলিশের। কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে বিজেপি। এরপরেই ‘ইন্ডিয়া’ জোট প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে শমীক জানান, “জোট মারা গেছে। এখন পোস্টমর্টেম চলছে,ডেথ সার্টিফিকেট চলে আসবে।”

একই প্রসঙ্গে, আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বৃহস্পতিবার হাওড়ার ডুমুরজলায় সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত হন স্মৃতি ইরানী। সেখানে
বৈঠকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। হাওড়ায় বুধবারের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন।

তিনি বলেন, “সনাতন ধর্মের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং INDI অ্যালাইন্সের এত রাগ, বিদ্বেষ কেন? যখন রামভক্তদের উপরে ইট বৃষ্টি হচ্ছিল তখন পুলিশ পৌঁছয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য এটা কেমন গণতন্ত্র? তবে তামিলনাড়ু হোক বা পশ্চিমবঙ্গ যেখানে INDI জোটের নেতারা আছেন সেখানে সেখানে সনাতন ধর্মের প্রতি বিরূপ ও অপমানজনক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অযোধ্যায় যেদিন রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হচ্ছে সেদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিমূলক ভাষণ পরিলক্ষিত হয়। কেন এই বিদ্বেষ? তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কুশাসন কত দিন চলে তা আমরা দেখব।”

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube