যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুর কারণ গুলির অন্যতম অপুষ্টি। সরকারি খরচে চিকিৎসা চললেও পুষ্টিকর খাবারের অভাবে সেভাবে সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারেন না অধিকাংশ যক্ষ্মা রুগী। দক্ষিণ দিনাজপুরে এমন অসহায় রুগীদের পাশে দাঁড়ালেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের নেতৃত্বে আধিকারিকরা নিজেদের খরচে আদিবাসী ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকা যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টিকর খাদ্যের যোগান দিচ্ছেন।
যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা মূলত ছয় মাস মেয়াদী। এই ৬ মাস ওষুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত জরুরী। টিভি রোগীদের অধিকাংশরই পারিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয়। পুষ্টিকর খাবার কেনা যাদের পক্ষে অসম্ভব। দক্ষিণ দিনাজপুরে ২০২৩’র ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী যক্ষ্মা রুগীর সংখ্যা ২৮৮০ জন। এদের মধ্যে আদিবাসী অসহায় পরিবারের রোগীদের পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা স্বয়ং। ছয় মাসের এই খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেটে রয়েছে ডাল বাদাম ডিম চাল তেল সোয়াবিন সহ আরও অনেক কিছু। সরকারি খরচে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার উপহার পেয়ে খুশি রুগীরা।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

