বহরমপুরে ছড়িয়ে আছে নেতাজির স্মৃতি

বহরমপুরে এসেছিলেন নেতাজি। কারা বন্দি থাকা কালীন করেছিলেন সরস্বতী পুজো। সুভাষচন্দ্র রাজবন্দি হিসাবে বহরমপুর কারাগারের ৭ নম্বর ঘরে (বর্তমান মানসিক হাসপাতাল) ছিলেন ১৯২৪ সালে। সেটা তাঁর জেলায় দ্বিতীয়বার আগমন। ইতিহাসবিদরা জানান, “বন্দি সুভাষ ওই সময় দাদা শরৎচন্দ্র বসুকে চিঠি লেখেন পড়ার বই পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে।” শুধু নিজের জন্য নয় রাজবন্দিদের জন্য বই কেনা সহ নানান দাবিতে তিনি বন্দি দশায় আন্দোলনও করেছিলেন বলে জানা যায়। সেখানেই শুরু করেছিলেন টেনিস খেলা, সরস্বতী পুজো সহ নানান সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড।

১৯৩৯ সালের ১৪ই জুন তিনি কৃষ্ণনাথ কলেজে ফরোয়ার্ড ব্লক দলের প্রচার ও দলের জন্য অর্থ সংগ্রহের কথা কলেজের শতবার্ষিকী উৎসবের স্মারক গ্রন্থে লেখা রয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে জেলায় বিভিন্ন সময়ে কখনও বহরমপুর, কখনও বেলডাঙা, কখনও কান্দিতে, জেমোতে, কখনও জিয়াগঞ্জে কখনও জঙ্গিপুরে এসেছিলেন সুভাষ।

এছাড়াও দেশবরেণ্য, আপোষহীন স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষ চন্দ্র বসুর জীবন দর্শন, লড়াই, সংগ্রামের অনেক উপকরণই রয়েছে মুর্শিদাবাদে। রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে জেলায় বিভিন্ন সময়ে বহরমপুর, বেলডাঙা, কান্দি, লালবাগ, জিয়াগঞ্জে, জঙ্গিপুরে এসেছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু। ১৯১৩ সালের মে মাসে একদল ঐতিহাসিকদের সঙ্গে ইতিহাসের শহর নবাবের মুর্শিদাবাদে প্রথম এসেছিলেন। বহরমপুর থেকে হেঁটে লালবাগ গিয়েছিলেন। ছিলেন লালবাগের সাবিরুদ্দিন আহমেদের বাসায়। সেখানে গিয়ে তিনি ঘি দিয়ে আলু সেদ্ধ ভাত খান বলেও উল্লেখ আছে।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube