গ্রাম্য বিবাদকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

গ্রাম্য বিবাদকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় চলে সংঘর্ষ ও ভাঙচুর । তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার সন্ধিপুর গ্রাম । ভাঙচুর করা হয় পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি । ঘটনায় আহত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা যায় । সোমবার মকর সংক্রান্তির স্নান ও পিকনিককে কেন্দ্র করে শুরু হয় ব্যাপক অশান্তি ।

এদিনের ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী । ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি দোকানও । বিজেপির দাবি বালি ঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের বিবাদ শুরু হয় । ঘটনার সূত্রপাত সোমবার মকর সংক্রান্তির স্নান ও পিকনিককে কেন্দ্র করে । অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় ডিভিসি ক্যানেলে মকর স্নান করতে গিয়ে বুদবুদ পঞ্চায়েতের সদস্য তপন বাগদির উপর হামলা করেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীরা ।

অভিযোগ ওঠে, সাময়িক বিবাদ মিটলেও তপন বাগদির সন্ধিপুরের বাড়িতে সন্ধ্যায় ফের চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা । ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর বাড়িতে । মঙ্গলবার সকালেও চলে হামলা । আশেপাশের তৃণমূল কর্মীরা ঠেকাতে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ আনা হয় । দু’পক্ষের মধ্যে পাথর ছোঁড়ার ঘটনাও ঘটে । তপন বাগদির স্ত্রী পদ্মা বাগদির দাবি, পুলিশের সামনেই মারধর করা হয় তাঁর স্বামীকে । তিনি আরও জানান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর স্বামী একজন পঞ্চায়েত সদস্য ।

মূলত, তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি আক্রান্তের স্ত্রীর । খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এসিপি (কাঁকসা) সুমন কুমার জয়সওয়াল বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে যান । বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন তিনি ।

অন্যদিকে বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি রমণ শর্মা বলেন, “বালি ঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব শুরু হয়”। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দুই-তিন দিন ধরে পাড়ার মধ্যে বিবাদ চলছিল। এই বিবাদকে অন্য দিকে ঘোরাতে চাইছে বিরোধীরা । এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই । পুলিশ তদন্ত করছে।”

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube