সারনা ধরম কোড চালু হওয়ার দাবিতে আদিবাসীদের অবোরধ

‘সারনা’ ধরম কোড লাগুর দাবিতে আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের ডাকা ‘১২ ঘন্টা ভারত বনধে’ পরিবহন ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বাঁকুড়ার জঙ্গল মহলে। শনিবার সকাল থেকে সিমলাপাল-রাইপুর সড়কপথে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। সমস্যায় সাধারণ মানুষ।

এদিন সকালে বাঁকুড়া গোবিন্দনগর বাসস্ট্যাণ্ডে গিয়ে দেখা যায়, বিষ্ণুপুর ও দুর্গাপুর রুটের বাস গুলি যাতায়াত করলেও জেলার জঙ্গল মহলগামী সব কটি বাস দাঁড়িয়ে রয়েছে।

বেসরকারী সংস্থার এক কর্মী জানান, বনধের খবর জানা ছিল না, এখন বাসস্ট্যাণ্ডে পৌঁছে শুনছি আদিবাসীদের ডাকা বনধের কারণে বাস চলাচল বন্ধ।

বাস শ্রমিক মৃণাল মণ্ডল বলেন, এই ধরণের বনধে রাস্তায় বেরোনো যাত্রীরা তো অসুবিধায় পড়ছেনই, অসুবিধায় রয়েছি আমরাও। ‘নো ওয়ার্ক নো পে’-র ভিত্তিতে আমরা কাজ করি। ফলে এভাবে কাজ বন্ধ থাকলে সংসারে টান পড়বে। এই অবস্থায় সমস্যা সমাধানে সরকারী উদ্যোগে আলোচনা করে সমস্যা সমাধান করা উচিৎ বলে তিনি জানান।

‘সারনা ধর্ম কোড’ লাগুর দাবিতে ১২ ঘন্টা ভারত বন্ধের মিশ্র প্রভাব পড়লো ঝাড়গ্রাম জেলাতে ।

এর আগেই দেখা গেছে সঙ্গে অভিযানের তরফে বিভিন্ন কর্মসূচি একটা দাবিকেই ঘিরে, তাদের দাবি সারনা ধরম কোড লাগু করতে হবে জানিয়ে বিভিন্ন সময় ডেপুটেশন বিভিন্ন সময় অবরোধ করে থাকেন এই আন্দোলনকারীরা।

শেষমেষ শনিবার ৩০শে ডিসেম্বর সর্বোপরি সিঙ্গেল অভিযানের তরফ থেকে ১২ ঘন্টা ভারত বন্ধের ডাক দিয়েছে তারই মিশ্র প্রভাব পড়তে দেখা গেল ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে।ঝাড়গ্রাম শহর সহ বেলপাহাড়ি, নয়াগ্রাম গোপীবল্লভপুর ফেঁকো ঘাট সহ বিভিন্ন জায়গায় সিঙ্গেল অভিযানের কর্মীরা হাতে প্ল্যাকার ও তাদের দলীয় পতাকা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন তাদের এই ১২ ঘন্টা বন্ধকে সফল করার উদ্দেশ্যে। সকাল থেকেই রাস্তায় নামেনি বেসরকারি বাস।সকালের দিকে বেশ কিছু দোকান খোলা থাকলেও বন্ধের মিশ্র প্রভাব জেলা জুড়েই নজরে পড়েছে।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube