নিয়োগের অভাবে বন্ধ বিদ্যালয়, ক্ষোভে ফুঁসছে আদিবাসী সংগঠন

আদিবাসীদের ৪৬ টি সংগঠন মিলে তৈরি হওয়া ইউনাইটেড ফোরামের নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ মানবাজারে। ঘটনা মানবাজার বিধানসভার গোবিন্দপুর জুনিয়র হাই স্কুলে। গোবিন্দপুর গ্রামের দরিদ্র আদিবাসী সাঁওতাল মানুষেরা তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার কথা ভেবে জমি দান করেন। সেই মতো ওই দান করা জমিতে ১৯৮৪ সালে তৈরি হয় জুনিয়র হাই স্কুল। কিন্তু শিক্ষক নিয়োগের অভাবে ২০১৭ সালে স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন এলাকাবাসী। এমন আরও বেশকিছু উন্নয়নের দাবি নিয়ে ঐ ফোরামের পক্ষ থেকে আদিবাসী সংরক্ষণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী হয়েও আদিবাসীদের কথা শোনেননি বলে তাদের অভিযোগ। এমনকি উন্নয়নের স্বার্থে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ডেপুটেশন গ্রহণ করেননি মন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু।

গত সপ্তাহে গোটা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে মানবাজার শহরেও বিক্ষোভ সংগঠিত করেছিল আদিবাসীদের ৪৬টি সংগঠনের একত্রিত মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশন। কিন্তু অন্যান্য আদিবাসী বিধায়ক ও সাংসদ তাঁদের ডেপুটেশন নিলেও মানবাজার বিধানসভার বিধায়িক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যারানী টুডু তাঁদের সঙ্গে দেখা করেননি। উল্টে মন্ত্রী দাবি করেছিলেন সংগঠনগুলি উন্নয়নের নামে আদিবাসীদের ভুল পথে পরিচালিত করছে। করছে বিভ্রান্ত।

এরপরই মন্ত্রীর অভিযোগের মঙ্গলবার অবস্থান বিক্ষোভ সংগঠিত করে ফোরামের নেতৃত্ব চোখে আঙ্গুল দিয়ে তুলে ধরেছেন মানবাজারের গোবিন্দপুর গ্রামের ঐ বিদ্যালয়ের কথা। এই স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে নিয়োগের অভাবে। জানানো হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন সহ বিধায়িকা তথা রাজ্যের মন্ত্রীকে। তবু কর্ণপাত করেননি তিনি। তাহলে কী আদিবাসী এলাকা বলেই ন্যূনতম পড়াশোনা থেকেও বঞ্চিত থাকবে এখানের পড়ুয়ারা। প্রশ্ন তুলছে আদিবাসীদের সংগঠনগুলি।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube