ডিএ আন্দোলনকারীদের ধরনা নবান্ন চত্বরে

বকেয়া ডিএ ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন শুক্রবারে ৩৩০ দিনে পড়েছে। আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল শহিদ মিনার থেকে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের এবার এই আন্দোলন গড়াল নবান্ন অবধি। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা শুক্রবার সকাল ৬ টার সময় নবান্নের কাছে চলে আসেন। তারা নিজেরা প্রথমে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ব্রিজের নীচে নির্দিষ্ট জায়গা করেছিলেন। আদালতের কাছে তাঁরা জানিয়েছিলেন, ব্রিজের নীচেই তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ করবেন। কিন্তু আজ সকালে যখন তাঁরা সেখানে আসেন, পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। পুলিশের বক্তব্য, ওই রাস্তায় ধরনায় বসলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অসুবিধা হবে। এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। নবান্নের সামনে ডিএ আন্দোলনকারীদের বাধা দেন পুলিশ। ব্যারিকেড দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

পুলিশকে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের কপি দেখিয়ে ধরনায় বসার দাবি জানান। কিন্তু পুলিশ তাতে সম্মতি দেন না। এরফলে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পরে পুলিশই তাদের ধরনায় বিকল্প জায়গা ঠিক করে দেয়। রাস্তা ছেড়ে ফুটপাথে ধরনায় বসেন তারা। যদিও আশ্চর্যের বিষয়, নবান্নের আরও কাছেই এগিয়ে এলেন তারা। সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা ভেবেই ফুটপাথে ধরনা বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তবে পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন তাঁরা।

এই জায়গাতেও পুলিশের তরফ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে, মাইকিং-এর সময় পুলিশের বক্তব্য ছিল নবান্ন চত্বর প্রচন্ড শান্তিপূর্ন জায়গা। এখানে বরাবর ১৪৪ ধারা জারি থাকে, এবং সেই ১৪৪ ধারা ভেঙেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের যে সমস্ত সদস্যরা উপস্থিত হয়েছেন এবং তাঁরা যেভাবে স্লোগানিং করছেন, তাঁরা যেভাবে উচ্চস্বরে গান করছেন সেটা এই ভাবে কোনো মতেই এখানে করা যাবে না। সকাল থেকে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এর ২ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা এখানে আছেন। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছেন হাওড়া পুলিশ। ধরনা মঞ্চের কাছাকাছি ডগ স্কোয়াড দিয়ে নজরদারি পুলিশের ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube