বেহাল রাস্তা নিয়ে রাজনীতি ভাঙড়ে!

কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন, “রাস্তা ছাড়ো! নইলে পৃথিবীর কালো সাদা হলুদ মানুষের গান, তাদের স্বপ্ন / এক মুহূর্ত সেই চিৎকার শুনে থমকে তাকায়।” কিন্তু ভাঙড়ে তো চিৎকার “রাস্তা সারো……” বলে।

রাস্তায় বড় বড় গর্ত, জল সরছে না রাস্তা থেকে ! বেহাল রাস্তা দিয়ে তাই বিপদের আশংকা নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যখন অসন্তোষ প্রকাশ করছে জনসাধারণ তখন সেই রাস্তা নিয়ে শুরু হল জোর রাজনীতি!

বেহাল অবস্থা ভাঙড়ের বাগজেলা ক্যানেল রোডের। নিউটাউন লাগোয়া ভাঙড়ের গাবতলা থেকে শোনপুর পর্যন্ত বেহাল অবস্থা বাগজেলা ক্যানেল রোডের। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া- মিনাখাঁ বা ভাঙড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার সাধারণ মানুষ প্রত্যেকদিন বাগজেলা খালের রোড দিয়ে নিউটাউন, সল্টলেকে কাজে যান। সাইকেল- বাইক- মটরভ্যান-অটো-বাস যোগে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে। নিউটাউন-সল্টলেক বা কলকাতা যাওয়ার বিকল্প সেই সহজ রাস্তার কঙ্কালসার অবস্থা হওয়ায় সমস্যা নিত্যযাত্রীদের। এক রকম তাই বিপদের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। এমত অবস্থায় সেই রাস্তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনীতি।

“ভাঙড়ের উন্নয়নের কথা বললে বলে অর্থের অভাবে করা যাচ্ছে না কিন্তু খেলা মেলা করে কোটি কোটি টাকা অপাত্রে দান করে যাচ্ছে প্রশাসন”। ভাঙড়ের বাগজেলা ক্যানাল রোডের বেহাল অবস্থা প্রসঙ্গে খোঁচা আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকীর । অপর দিকে সরকারি উদ্যোগে রাস্তা না হলে নিজের উদ্যোগে রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতা তথা ভগবানপুর অঞ্চলের নবনির্বাচিত প্রধানের সামি খাইরুল ইসলামের। রাস্তায় জমে আছে জল! খবর পেয়ে নিকাশির জন্য রাস্তা পরিদর্শনে গেলেন ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল ইসলাম। তিনি জানাচ্ছেন দ্রুত রাস্তা করে দেওয়া হবে।।

“কেউ কারোকে রাস্তা ছেড়ে দেয় না, যতদিন এই পৃথিবীতে গান থাকে – গানের মানুষ থাকে স্বপ্ন থাকে” । রাস্তা ছাড়ুক আর না ছাড়ুক! রাস্তা হবে তো? প্রশ্ন সাধারণের।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube