চন্দ্রযানের সাফল্যের খুশি ছড়াল মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ইসরোর সফল  অবতরণে যুক্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার বিজ্ঞানী ।  তাই খুশিতে মাতোয়ারা বেলডাঙার বড়ুয়া এলাকার বাসিন্দারা ।

তুষারকান্তি দে ওরফে ছোটন ছোট থেকেই ছিলেন মেধাবী । বেলডাঙার কাশিমবাজার রাজ গোবিন্দ সুন্দরী বিদ্যাপীঠে পড়াশুনো করে পরে গণিতে অর্নাস নিয়ে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে পাঠরত ছিলেন তিনি । পরে এমএসসি সম্পন্ন করেন খড়্গপুর আইআইটি থেকে। এমটেক সম্পন্ন করেন  ধানবাদ থেকে । ২০০৫ সালে ইসরোতে যোগদান করেন বেলডাঙা মেধাবী ছাত্র তুষারকান্তি দে । প্রথমে বেঙ্গালুরুতে সায়েন্টিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার  হিসেবে কাজ করে পরে তিরুবনন্তপুরমে ছিলেন । বর্তমানে চন্দ্রযান ৩-তে করতব্যরত বিজ্ঞানী তিনি । চন্দ্রযান ৩ অভিযানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গার এই কৃতী সন্তানের সাফল্যে গর্বিত সকল বেলডাঙার বাসিন্দা । বুধবার সন্ধ্যার পর বাড়িতে এই সংবাদ আসতেই খুশির হাওয়া পরিবারে। তিনি যে সাফল্য পেয়েছেন তাতে গর্বিত বেলডাঙা সহ মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দারা । বেলডাঙার বড়ুয়া কলোনির দাস পরিবারের  নজর ছিল টিভিতে;  কেমন করে চাঁদের মাটি  স্পর্শ করে তা দেখেছেন পরিবারের সদস্যরা।

পাশাপাশি পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তুষারকান্তি দে-র অবদান যে অনেক তা ভেবেই আনন্দ লাগছে তাঁদের ।  এদিন জানা যায় তার  প্রিয় খাবার মাংস ভাত  ;  আগামী দিনে বাড়ি এলে তাঁকে মাংস ভাত জমিয়ে খাওয়াবেন তার বৌদি।

বিক্রম চাঁদে পৌঁছানোর পরে আরও অনেক কাজ রয়েছে । সে সবেও জড়িত রয়েছেন তুষারকান্তি দে ।  তাই তাকে বিরক্ত করতে চাইছেন না পরিবারের সদস্যরা। দেশের কাজে এগিয়ে যান তুষারকান্তি , এমনটাই চাইছেন পরিবারের সদস্যরা ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube