ভারতের মহাকাশ গবেষণায় সাফল্যের ইতিহাসে জুড়ে গেল এই বাংলার উত্তর দিনাজপুরের নামও । আসলে নামটা জুড়ে দিলেন পিছিয়ে পড়া এই জেলারই দুই ‘চাঁদ কা টুকরা’। একজন মফঃস্বল শহর ইসলামপুরের আশ্রমপাড়ার অনুজ নন্দী ও অন্যজন ইটাহার থানার অখ্যাত গ্রাম রামনগরের রৌশন আলি।
জানা যাচ্ছে, দুইজনেই চন্দ্রযান-৩ প্রোজেক্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন । তাঁদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-৩ এর ক্যামেরা ডিজাইনিং ও সেটিং টিমের অন্যতম সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন ইসলামপুরের অনুজ। আর ‘বিক্রমকে’ বহন করে মহাকাশে পৌঁছে দিল যে “বাহুবলী” এলভিএম-৩ রকেট, সেই রকেটের ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখভাল ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিল রৌশনের।
ক্লাস ফোর পাশ মা আনেশা বিবি অতশত বোঝেন না । শুধু বোঝেন, ছেলে একটা খুব বড় কাজের সঙ্গে যুক্ত আছে। তাই যখন প্রশ্নটা করা হল, কেমন লাগছে ছেলের এই সাফল্যে ? রত্নগর্ভা মায়ের মুখে ছড়িয়ে পড়ল শুধু নিঃশব্দ চাঁদের হাসি। সেই হাসিতেই আনেশা বুঝিয়ে দিলেন, ছেলে আমার “চাঁদ কা টুকরা”।
- সন্দেশখালি দুর্ঘটনায় মামলা দায়ের ন্যাজাট থানায়, অভিযুক্ত ৮ - December 11, 2025
- ইন্ডিগোর সমস্যা নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেস - December 8, 2025
- সংসদে কংগ্রেসকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর - December 8, 2025

