ফের র‍্যাগিং!

যাদবপুরের পর এবার অশোকনগর নেতাজী শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ কলেজের ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে এসএফআই সমর্থক এই পড়ুয়ার প্রথমে ফোন কেড়ে নেওয়া হয় – চলে র‍্যাগিং করা হয় মারধর।অশোকনগর থানায় অভিযোগ দায়ের। মারধর এবং র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে।

কলেজ চলাকালীন কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৃনমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিয়ন রুমে র‍্যাগিংয়ের শিকার কলেজেরই প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়া।আর এই র‍্যাগিংয়ের ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে অশোকনগর নেতাজী শতবার্ষিকী কলেজে।র‍্যাগিংয়ের অভিযোগটি তুলেছেন ওই কলেজেরই প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র অভিনন্দন মুখার্জি। বৃহস্পতিবার রাতে অশোকনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে অভিনন্দন জানান শুধুমাত্র আমি SFI করি বলেই আজ আমি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পড়ুয়াদের হাতে র‍্যাগিংয়ের শিকার হলাম।অভিনন্দনের অভিযোগ এদিন কলেজে পা রাখতেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ছেলেরা আমাকে ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে প্রথমেই আমার ফোনটি কেড়ে নেয়, শুরু হয় অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, এরপরই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ছবি দেখিয়ে পায়ে হাত দিয়ে ছবি তুলতে এবং সেই ছবি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করতে বলা হয় । এছাড়া এসএফআই সংক্রান্ত তার ফেসবুকে যা পোস্ট হয়েছে তা ডিলিট করতে বলা হয়। তখন তা মানতে রাজি না হতেই শুরু হয় মারধর। অভিনন্দনের আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ মারধরের সময় শুধু যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ছেলেরা ছিল তা নয় উপস্থিত ছিলেন ওই কলেজের নন টিচিং স্টাফরাও।

যদিও এই ঘটনায় কলেজের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া অভিনন্দনের তোলা র‍্যাগিং এবং মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি বরং এদিন SFI সমর্থক ওই পড়ুয়া বহিরাগতদের নিয়ে কলেজে এসেছিল এবং সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ক্যাম্পেনিং করছিল। সেই খবর আমাদের কানে যেতেই বহিরাগতদের আমরা কলেজ থেকে বার করে দিই এর বাইরে তেমন কিছুই ঘটেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা প্রদীপ সিং বলেন যাদবপুরের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে এই ধরনের অশান্তি কলেজে কলেজে সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে কিন্তু আমরা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে তা রুখে দেব । যদিও এই ঘটনা নিয়ে ভারতীয় ছাত্র ফেডারেশনের উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা কমিটির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সন্দীপ আচার্য বলেন ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে এসএফআইয়ের ছাত্রকে র‍্যাগিং – মারধর – প্রাণনাশের হুমকি এটা মেনে নেওয়া হবে না,প্রয়োজনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে পথে নামার হুমকি দিলেন SFI এর এই নেতা। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছেন অশোকনগর থানার পুলিশ প্রশাসন।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube