রক্তাক্ত ভাঙড় কি পুলিশি ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি?

।। স্বর্ণালী মান্না ।।

অদূরে পঞ্চায়েত নির্বাচন । দিকে দিকে চলছে সংঘর্ষ । উত্তপ্ত ভাঙড়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা । মঙ্গলবার সকাল থেকেই মনোনয়ন জমা করাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিস্থিতির আকার নেয় ভাঙড় । চলতে থাকে গুলি, বোমা, ইটবৃষ্টি । রাজনৈতিক কর্মীই শুধু নয়, আহত হন কর্তব্যরত এক পুলিশকর্মীও ।

মঙ্গলবার সকালে ভাঙড়ে মনোনয়ন পত্র জমা করতে গিয়ে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয় ভাঙড়  ২  নম্বর ব্লকের  বিডিও অফিসের সামনে । সংঘর্ষ বেঁধে যায় আইএসএফ ও তৃণমূলের সমর্থকদের মধ্যে । ১৪৪ ধারাকে উপেক্ষা করেই চলতে থাকে ব্যাপক বোমাবাজি!

পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে বিশাল পুলিশ বাহিনী । তবে তাতে বিশেষ লাভ বলতে তেমন কিছু হয়নি । কারণ পুলিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, তাঁদেরকে লক্ষ্য করেই চলতে থাকে বোমাবাজি ।সংঘর্ষের জেরে আহত হন কাশিপুর থানার এস আই এস আর মির্জা । এমনকি বোমা, গুলির জেরে পিছু হঠতে বাধ্য হয় পুলিশ প্রশাসন । এখানেই প্রশ্ন, খোদ নির্বাচন কমিশন যেখানে রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে পঞ্চায়াতে নির্বাচন করতে চাইছে, সেখানে সেই রাজ্য পুলিশের নাকের ডগায় এই অশান্তির পরিবেশ কী করে সৃষ্টি হয়?

এই প্রসঙ্গে আরেকটি চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসছিল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা । তখনও কি টের পায়নি পুলিশ প্রশাসন? আর তার জেরেই কি এই সংঘর্ষ?

এহেন ঘটনায় প্রকাশ্যে উঠে আসছে পুলিশের ব্যর্থতা । আহত হওয়ার পরও নীরব দর্শকের ভূমিকাই বহাল রাখল পুলিশ প্রশাসন । পুলিশের এই ব্যর্থতা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার । তিনি জানিয়েছেন, পুলিশের বন্দুক মাকড়শার জালে ভরে গিয়েছে; তাই তাঁরা আজ নিষ্ক্রিয় ।

এখন প্রশ্ন উঠছে, যেখানে পুলিশ নিজেকেই রক্ষা করতে ব্যর্থ, সেখানে সাধারণ মানুষ ভরসা করবে কার উপরে?

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube