করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় নিহত সিআরপিএফ জওয়ান

করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় হত সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়ার মৃতদেহ এসে পৌঁছলো বাঁকুড়ার ইন্দাসের কুশমুড়ি গ্রামে । মঙ্গলবার দুপুরে সিআরপিএফ কর্মীরা তাঁদের সহকর্মী নিখিল ধাড়ার কফিনবন্দী মরদেহ গ্রামে নিয়ে আসেন ।

এলাকায় যথেষ্ট পরোপকারী ও মিশুকে হিসেবেই পরিচিত ছিলেন সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়া । মাত্র কয়েকদিন আগেই শেষ বারের মতো বাড়িতে এসেছিলেন, গত শুক্রবারই খড়্গপুর থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে কর্মস্থল ছত্তিশগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি ।

কিন্তু করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পর তাঁর খোঁজ মিলছিল না । পরে দুর্ঘটনাস্থল থেকে সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়ার সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও মোবাইলের খোঁজ মেলে । খবর দেওয়া হয় তাঁর কর্মস্থলেও, অবশেষে ওড়িষার হাসপাতালে খোঁজ মেলে নিখিল ধাড়ার নিথর দেহের ।

প্রয়াত সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়ার মরদেহ এদিন গ্রামে পৌঁছনোর আগে থেকেই শেষবারের মতো একটিবার চোখের দেখা দেখতে অসংখ্য মানুষ তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমান । স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ঘনঘন জ্ঞান হারাচ্ছেন নিখিল ধাড়ার স্ত্রী । বাবার অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না মাত্র দশ বছরের ছোট্ট মেয়েও । শোকে পাথর বৃদ্ধ বাবা-মা ।

ইন্দাসের প্রত্যন্ত কুশমুড়ি গ্রামের আকাশ-বাতাসে শুধুই কান্নার রোল । কথা বলার অবস্থাতে নেই প্রায় কেউই । এই অবস্থাতেও প্রয়াত নিখিল ধাড়ার ভাইপো তথা ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়া বলেন, কাকা আমার থেকে মাত্র দু’বছরের বড়, আমরা বন্ধুর মতো মিশতাম; গ্রামের প্রত্যেকের সঙ্গে তাঁর যথেষ্ট সুসম্পর্ক ছিল । তিনি আরও জানান, এই অকালমৃত্যু কিছুতেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয় । এই ক্ষতি শুধু গ্রাম বা এলাকার নয়, দেশের ক্ষতি বলেও তিনি মনে করেন বলে জানান ।

এদিন প্রয়াত সহকর্মীকে সিআরপিএফের তরফেও শ্রদ্ধা জানানো হয় । শ্রদ্ধা জানান জেলা পুলিশের কর্মী, আধিকারিক থেকে এলাকার মানুষ প্রত্যেকেই ।

নিউজ টাইম চ্যানেলের খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Inform others ?
Share On Youtube
Show Buttons
Share On Youtube
Hide Buttons
Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial
Facebook
YouTube