নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী অ্যান্টিবডি টেস্ট বা র্যাপিড টেস্টর কথা বোঝাতে চেয়েছেন, যা ইতিমধ্যে অনুমোদন করেছে আইসিএমআর।
ট্রেসিং বা সন্ধান করার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে ২৫ হাজার ফোন নম্বর তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, কোয়ারেন্টাইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৭৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। ট্রিটমেন্ট বা চিকিৎসার বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২,৪৫০ এর বেশি শয্যা এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৫০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংক্রমণের হার বেড়ে গেলে শয্যা বাড়ানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রমণ রোধ করায় একত্রে কাজ করা খুব জরুরি। লকডাউন তুলে নেওয়ার পরে রাজ্যগুলির মধ্যে যোগাযোগ অটুট না রাখতে পারলে সমস্যার মোকাবিলা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ভাইরাস রোধের ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত রাজনীতি ভুলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির সমন্বয় গড়ে তোলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। দিল্লির ক্ষেত্রে তার দায়িত্ব তাঁর নিজেরই, জানিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।Latest posts by new_author (see all)
- লকআপ থেকে উধাও বন্দী - January 8, 2023
- নতুন বছরে সিদ্ধি বিনায়কে ভিকি-ক্যাটরিনা - January 6, 2023
- মেসির সংসার, হাতে বিশ্বকাপ, পাশে ১০ নম্বর জার্সিতে পরিবার - December 19, 2022

