নিউজটাইম ওয়েবডেস্ক :
সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার ( DA Case ) শুনানি। সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে চাপে রাজ্য ( State )।বৃহস্পতিবার ছিল ডিএ মামলার শুনানি ( Hearing of the DA case ) । সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী রায়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রথমে ৫০% বকেয়া ভাতার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাল্টা রাজ্যের আইনজীবী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মনু সিঙ্ঘভি ( Lawyer Manu Singhvi ) বলেন, ৫০% ডিএ দিতে হলে রাজ্যের ‘কোমর’ ভেঙে যাবে। শীর্ষ আদালত জানায়, অন্তত ২৫% করে চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা ভাতা দিতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের তরফে ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর ব্যাপারে রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট, নিম্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল । এই তিন আদালতের রায় দেওয়ায় মামলা এখন অনেকদিন গড়াবে। তাই অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসাবে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দিয়ে দেওয়া হোক সরকারি কর্মচারীদের।এই নির্দেশই দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ( Supreme Court ) তরফে।
পাল্টা রাজ্য রকারের আইনজীবী বলেন, এমনিতেই রাজ্য সরকারের কোষাগারের অবস্থা ভালো নয়। বকেয়া ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হলে বিপুল টাকার বোঝা চাপবে রাজ্যের ওপর।এদিকে আইনজীবীর যুক্তি না মেনে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ( Supreme Court Justice Sanjay Karol ) বললেন, ৫০% দিতে সম্ভব না হলে অন্তত ২৫% দিয়ে দিন।পরবর্তী শুনানি হবে অগাস্ট মাসে ( next hearing will be in August ) । আইনজীবী বাকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ( Lawyer Bakashranjan Bhattacharya ) সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে বলেন, এব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে ২০১৬ সালে মামলা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টে ২০২২ সালে এই মামলা দায়ের করা হয়।
সেই সময় থেকেই বকেয়া হিসাব করে চার সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া টাকা দিয়ে দিতে হবে। এরপর শুনানির সময় আইনজীবী মনু সিংভি ( Lawyer Manu Singhvi ) তাঁর সওয়ালে বলেন, কোনও সরকারি কর্মচারীর মৌলিক অধিকার নয় মহার্ঘ্যভাতা পাওয়া। তা নির্ধারণ করা রাজ্য সরকারের অধিকারের মধ্যে পরে। পাল্টা সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে আইনজীবী সওয়াল করলেন, এটা মৌলিক অধিকার নয় ঠিক, কিন্তু মনে রাখা জরুরি সংবিধানের ৩০৯ নম্বর ধারার ভিত্তি রোপা রুল তৈরি হয়েছিল অর্থাৎ এর সাংবিধানিক বৈধতা রয়েছে।